চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা


ফরহাদ মজহার ফরিদা আখতার সাংবাদিক সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলন
৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

আমরা সুবিচার চাই: গুম অপহরণ বন্ধ হোক

১. ফরিদা আখতারের বক্তব্য

 শ্রদ্ধাভাজনেষু

আজ আমি এবং ফরহাদ মজহার আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি দীর্ঘদিন পর আমাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য তুলে ধরার জন্য। গত ৩ জুলাই সকালে ফরহাদ মজহার যে ঘটনার শিকার হয়েছিলেন, সেদিন সারাদিন দেশের মানুষ, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, সুশীল সমাজ, সংবাদ মাধ্যম ও বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের চিরদিনের জন্য কৃতজ্ঞ করেছেন।

সুষ্ঠ (আরো পড়ূন)


প্রপাগাণ্ডা মোকাবিলা

অক্টোবর বিপ্লবের একশ বছর উপলক্ষে চিন্তার ওয়েব পাতায় আমরা বেশ কয়েকটি লেখা পেশ করেছি। আধুনিক কালপর্বে পাশ্চাত্যের অক্টোবর বিপ্লব মানবেতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, একই ভাবে গুরুত্বপূর্ণ চিনের বিপ্লব এবং ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লব। মানবেতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উত্থানপতন এবং বিপ্লবোত্তর সমাজগুলোর পর্যালোচনা একালে আমাদের কর্তব্য নির্ণয়ের জন্য জরুরী। যাঁরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে অক্টোবর বিপ্লবের ১০০ বছর পালন করেছেন আমরা তাদের স্বাগত জানাই।

বাংলাদেশে চিন্তা ও তৎপরতার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ঐক্যের শর্ত তৈরি ও প্রশস্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। সেই ক্ষেত্রে কিছু (আরো পড়ূন)


লেনিন নাই, কিন্তু আছেন!

লেনিন নাই। তাই কি? লেনিন আসলে কিন্তু আছেন। কারন কোন অগ্রসর চিন্তাকেই তার পূর্ণ বাস্তবায়নের আগে দাফন করা যায় না। তাই অক্টোবর বিপ্লবের একশ বছর উপলক্ষে আপনাদের লেনিন পড়তে উৎসাহিত করছি।

ধরুন, লেনিনের 'গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল' বইতে কী আছে যা আপনার জানা দরকার? যার জন্য রুশ বিপ্লবের একশ বছর পর এই প্রায় ভুলে যাওয়া বইটি পড়তে আপনাদের ফুসলাচ্ছি?

কী আছে বলবেন না, বরং বলুন কী নাই? একটি স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে 'বিজয়ী গণ অভ্যূত্থান' সফল করবার জন্য যে নীতি ও কৌশল সম্পর্কে অবহিত থাকা দরকার তার সারকথাগুলো আপনি এই ছোট বইতে পাবে (আরো পড়ূন)


গণতান্ত্রিক বিপ্লব

এখানে অক্টোবর বিপ্লবের একশ বছর উপলক্ষে চিন্তা পাঠচক্রের সঙ্গে লেনিনের ‘গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল’ এবং এপ্রিল থিসিস পড়ুন। লেনিনের 'এপ্রিল থিসিস' সম্পর্কে জানতে হলে প্রগতি প্রকাশনী থেকে কয়েকটি নিবন্ধ নিয়ে প্রকাশিত ‘বিপ্লবী সৈন্য বাহিনী ও বিপ্লবী সরকার’ পড়তে পারেন।

ইতিহাস পাঠ স্রেফ ঘটনাঘটনের বিবরণ জানা নয়, এটা আমরা জানি। ইতিহাস তখনই প্রাসঙ্গিক এবং তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন আমরা বর্তমানের সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন ও সমস্যা বুঝতে এবং তার মীমাংসার জন্য অতীতে নজির খুঁজি। অক্টোবর বিপ্লব নিয়ে চিন্তা পাঠচক্র (আরো পড়ূন)


কাকের চোখে ঈশ্বর(একটি ধারণার খোঁজে)

ঈশ্বর একটি ধারণা, যা একটি মানুষ জন্মের পর তার সচেতন মস্তিষ্ক একটি উন্নততর পরম সত্ত্বার সন্ধান করে তারই স্বরূপ।

আমরা অতীতে ফিরে গিয়ে কোন কাজ করে আসতে পারলে তা একটি প্যারাডক্স(স্বয়ংবিরুদ্ধ) সৃষ্টি করবে। ঐ কাজের ফলাফল আমাদের বর্তমানের উপর প্রভাব ফেলবে। মনে করুন আজ থেকে একবছর আগে গিয়ে আপনাকে আমি হত্যা করে আসলাম। কিন্তু আজ তাহলে এক বছর পরে আপনি আমার লেখা পড়ছেন কীভাবে? পৃথিবীতে তো আপনার অস্তিত্ব থাকারই কথা না! সময় আমাদের মহাবিশ্বের চারটি মাত্রার ভেতরে একটি। সময়কে পরিবর্তন করে আমাদের নিজেদের ভাবাটাই চলে না। এই পরম মাত্রাই সকল কার্যকারণের জন্ম দিয়েছে; জন্ম দিয়েছে আমাকে (আরো পড়ূন)


'ক্রুসেড, জেহাদ ও শ্রেণি সংগ্রাম'

মোহাম্মদ রোমেল অনেক পুরানা কথা মনে করিয়ে দিলেন। ধন্যবাদ রোমেল। বিশ্বব্যাপী অত্যাসন্ন সংকট মাথায় রেখে প্রগতিশীল রাজনীতির কর্তব্য নিয়ে আমার নিজের সঙ্গে নিজের নিরাপোষ সংগ্রাম – যা ছিল কঠিন ও আত্মক্ষরণে রক্তাক্ত -- অথচ সৎ ও পর্যালোচনামূলক চিন্তার দ্বারা তাড়িত -- তারই একটি দলিল এই সেমিনার।

এরও আগে ‘মৌলবাদী আতংকের স্বরূপ’ নামে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলাম। ‘মৌলবাদের আতংক’ কিভাবে আমাদের বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্তব্য থেকে বিচ্যূত করছে, সেটা ধরিয়ে দিতে চেয়েছি। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কিভাবে আমরা জুলুমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াইয়ের ভাষা বুঝব? আসলে ত (আরো পড়ূন)


আন্দোলন হচ্ছে, আন্দোলিত হচ্ছি না

একটি পাথরখন্ড ঢিল ছুড়ে বদ্ধপুকুরে ফেললে প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে তরঙ্গায়িত হয়ে শান্ত-স্নিগ্ধ পানি পুকুরতীরে আছড়ে পড়ে।পাথরের আঘাতে শান্ত জলের আকস্মিক আন্দোলন বা নড়াচড়া পুকুরের বাস্তুসংস্থানকেও খানিক নড়াচড়ায় বাধ্য করে।প্রকৃতির সাধারণ পাঠ বা বিজ্ঞানের কার্যকারণসূত্র যেভাবেই আমরা দেখিনা কেন এখানে পানির নড়াচড়া বা আন্দোলন;ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার খেলাটা লক্ষণীয়।  তরঙ্গ যদি যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন বা আলোড়নের সঞ্চালনের ফলে শক্তি এক স্থান থেকে আরেক স্থানে স্থানান্তরিত হওয়াকে বুঝায় তাহলে আমাদের জাতীয় জীবনের দূর্গতি দেখে নিরব থাকা মানেই মূল্যবোধ,নৈতিকতার স্কেলে নিম্নমুখী সূচকেই আমাদ (আরো পড়ূন)


বিশ্ব জল দিবস

আমার সবাই জানি, জলের অপর নাম জীবন। আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী খুব শীঘ্রই সুপেয় জল সংকটে পতিত হবে; যদি না আমরা এখন‌ই জলের উপযুক্ত ব‍্যবহার ও ব‍্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব দেই।অন্য দিকে জলের অপব‍্যবহার বন্ধ করাও আজ একটি নাগরিক কর্তব‍্যে পরিণত হয়েছে। শুনা যায় যদি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ হয় তবে তা পানীয় জলের জন্য হবে।

জাতীয় সংঘের সাধারণ সভা ১৯৯৩ সালে ২২ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব জল দিবস হিসাবে ঘোষণা করেন। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র গুলো নিজেদের দেশে প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্ব জল দিবস পালন করে এবং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনার রূপায়ন করে। আপনি জানেন বর্তমানে পৃথিবীতে ৭০০ কোটি লো (আরো পড়ূন)


২১শে মার্চ বিশ্ব বন দিবস

আজকের দিনে যে অর্থে পশু পাখীরা বন‍্য প্রাণী-আমাদের পূর্ব পুরুষরাও সেই একই অর্থে বন‍্য প্রাণী ছিলেন।মানুষ আর বুদ্ধির বিকাশের সাথে তাল মিলিয়ে সভ্যতার স্থাপন করে।আর শুরু হয় বন নিধন যজ্ঞ।জনসংখ্যা  বৃদ্ধির সাথে সাথে সারা পৃথিবীতে বন‍ভূমি কমতে থাকে।আর প্রতি দিন বিলুপ্ত হচ্ছে কত বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতি।১৯৯২সালে রিও ঘোষণা পত্রে বন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্ৰহন করার কথা বলা হয়।দেরিতে হলেও তারই ফল স্বরূপ ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংঘের সাধারণ পরিষদের সভায়

বন ও বনভূমি রক্ষার জন্য ২১শে মার্চ দিনটিকে বিশ্ব বন দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

আসুন আমর (আরো পড়ূন)


সমাজ পরিবর্তন ও সাংস্কৃতিক সংগ্রাম

১.

১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে (যে অঞ্চলে আমি ছোট বেলা থেকে বড় হয়েছি) আক্ষরিক নাট্য সম্প্রাদয় নামক একটি নাট্য সংগঠন গড়ে তুলেছিলাম আমরা কয়েকজন তরুন। নাট্য সংগঠনটি শ্লোগান ছিল “নাটক হোক সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার” । আজ এই প্রবন্ধটি লিখতে বসে সেই শ্লোগানটির কথা মনে পড়ে গেল। সংস্কৃতিতে রাজনীতির ভাষা এ নতুন কিছু নয়। পূর্বে অনেক রাজনীতির সহায়ক শক্তি হিসেবে  সংস্কৃতিকে অর্থাৎ সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে দেখেছি। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর সৈরাচার বিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত এই সাংস্কৃতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সফলতার মুখ দেখেছে। আরো একট (আরো পড়ূন)


'সাব অল্টার্ন' পাঠের সমস্যা

সাব অল্টার্ন বিষয়ের আলাপটা প্রথম শুরু করেন গ্রামসি। বিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ইতালিতে রাজনৈতিক তৎপরতা করতে গিয়ে গ্রামসি যখন ব্যর্থ হয়ে জেলে বন্দি হন, তখন রাজনৈতিকভাবে কেন ব্যর্থ হলেন এই বিষয়ে একটা বোঝাপড়ায় যেতে চাইলেন। শেষতক মার্ক্সিস্ট রাজনীতি অর্থাৎ সোভিয়েত বিপ্লবের পর লেনিনীয় রাজনীতি আর ‘শ্রেণী সংগ্রাম’ ইতালিতে ব্যর্থ হওয়ার যে অল্টারনেটিভ বোঝাপড়া সেটাকেই তিনি নাম দেন ‘সাব অল্টার্ন’।

সাব অল্টার্নের পুরো বিষয়টা গ্রামসি যখন ব্যাখ্যা করছেন তিনি ‘শ্রেণী’ ধারণাকে একটা ‘ইকোনোমিক শ্রেণী’ আকারেই পাঠ করেছেন এবং এখানেই জোর দিয় (আরো পড়ূন)


বরফ-জনম

আমরা দু’জন আজ এক প্রাণ আমাদের এই বরফ-জনমে
আমাদের এই পরিমিত মনে জন্মায় দ্বিধা নানান প্রকার,
আমাদের এই সহবাস কেন, মিলন না কেন! কেন দাঁতে দাঁত!
এ বরফ-যুগে সুন্দর করে ঘষা-মাজা-সাজা ছেলেমেয়েগুলো,
কেন খোঁজে বলো প্রেম-মাধুর্য? এই হিমযুগে প্রেম! কেন প্রেম কেন!
হায় কী তোহফা পেলাম আমরা! বিশ্ব উষ্ণ— তাই প্রেম হিম।

আমি ছিলাম যে বিনাশী আগুন, পুড়িয়েছিলাম তোমার বরফ
তুমি গলেছিলে, কিন্তু তোমার বরফায়নের দামামায় আমি
গলিয়েছি যত, পুড়িয়েছি যত, তারচেয়ে বেশি তাপ খুইয়েছি
তারচেয়ে বেশি বরফ হয়েছি, ঝরে ঝরে গেছি মেঘজাত শিলা!
(আরো পড়ূন)


'সাধুসঙ্গ', 'সেবা', ও নদিয়ায় 'দেহ'

যাঁরা ছেঁউড়িয়া গিয়েছেন এবং সত্যিকারের সাধুসঙ্গ করেছেন তাঁরা ‘সেবা’ কথাটা শুনেছেন। আমরা ভাবি এটা বুঝি নিছকই ভাষা ব্যবহারের ব্যাপার। ‘খাওয়া’ কথাটা খুব খাদক খদক মনে হয়, বিপরীতে সাধু যখন করজোড়ে শুধায়, ‘আপনার কি সেবাশান্তি হয়েছে?’ এই মোলায়েম, বিনয়ে ভেজা সম্ভাষণ আমাদের ভাল লাগে।

‘সেবা’ ও ‘সেবা-ব্যবস্থা’ লালনের ঘরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ চর্চা। কথা আছে যে সেবার নিয়ম বা এর চর্চাবিধি প্রবর্তন করেছেন নিত্যানন্দ। গৌরাঙ্গ নদিয়া ছেড়ে চলে যাবার পর নিত্যানন্দ থেকে যান এবং তাঁর শিষ্যপরম্পরার ধারা বেয়েই নদিয়ার ভাবের বিকাশ। এই (আরো পড়ূন)


পরিবার ও সামাজিক সংকট

১.           ক্রমশ পরিবারগুলো  ভেঙ্গে যাচ্ছে। একান্নব‌র্তী পরিবারগুলো যেন ছোট ছোট পরিবারে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। সে পরিবারগুলোকে আমরা অনু পরিবার বলতে পারি। বৃদ্ধ পিতা মাতারা সন্তানদের সঙ্গে থাকছেনা কিংবা থাকতে পারছেনা । তারা অসহায় জীবন যাপন করছে। অপরদিকে তাদের সন্তানদের পরিবারগুলো পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্নতার কারণে অসহায় জীবন যাপন করছে। অনু পরিবারগুলোতে যে সব শিশু সন্তান, তরুন-তরুনী বেড়ে উঠছে তারাও প্রতিনিয়ত যান্ত্রিক, নিষ্ঠুর, নির্দয়, নিলজ্জাতার উপাদানগুলো চর্চা করছে। সেই ক্ষেত্রে অভিভাবকরা/পিতা-মাতারা খুবই অসহায়। কিছু (আরো পড়ূন)


চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী

রামপালের পক্ষ বা বিপক্ষের বিশেষজ্ঞদের কে ভাড়া খাটে কে খাটে না বাজে তর্ক। যারা করছেন তাদের অনুরোধ করব এই তর্কে ঢুকবেন না। এটা পাতিবুর্জোয়া নীতিবাগীশতা। এটা প্রাণ ও প্রকৃতি সুরক্ষার প্রশ্নে নৈতিক অবস্থান নেবার তর্কের মধ্যেও পড়ে না। তাছাড়া, চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী। অতএব পরিহার করুন। পুঁজিতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থায় সকলেই পুঁজির ভাড়া খাটে। জেনে, না জেনে কিম্বা বাধ্য হয়ে। এর ভেতর থেকেই প্রতিরোধ তৈরি হয়। এটা রাজনৈতিক কর্তাশক্তি নির্মাণের প্রশ্ন, নীতিবাগীশতার তর্ক নয়।

বিশেষজ্ঞতার তর্কে জেতা বা হার দিয়ে যদি রামপালের পক্ষের শক্তি পার পেয়ে যায় তাহলে কি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ (আরো পড়ূন)


বুটিক ব্যবসায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি

সাইফুল ইসলাম জুয়েল

সৃজনশীল কাজে আপনার আগ্রহ থাকলে আপনার বেকার বসে থাকার সুযোগ নেই। বুটিক ব্যবসায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেই হয়ে উঠতে পারেন স্বাবলম্বী। অনেকেই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এ পেশা বেছে নিচ্ছেন এবং লাভবানও হচ্ছেন। ব্যবসায়িক বুদ্ধি, রুচিবোধ, গ্রাহকের মানসিকতা, সৃজনশীলতা থাকলে আপনিও হতে পারেন একটি বুটিক হাউসের কর্ণধার।

প্রাথমিক প্রস্তুতি

যে কোন কাজ শুরুর আগে সে কাজ সম্পর্কে ভাল ধারণা নেয়া উচিত। এটা কাজের প্রাথমিক ধাপ। দোকানের অবস্থান, আপনার কাজের স্বকীয়তা এবং বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে আপনার বুটিক হাউসের ব্যবসায় নামা উচিত। সবচেয় (আরো পড়ূন)


রাজশাহীর বুটিক গুলোর বেহাল অবস্থাঃ

আমরা কমবেশী সবাই হাতে তৈরী জিনিস দেখেছি এবং ব্যবহারও করে থাকি।ঠিক বাংলাদেশে বড় একটি বাজার করে নিয়েছে বিভিন্ন ফ্যাসন হাউজ গুলো। এই সব বুটিক হাউজ  ‍গুলোতে ছেলেদের পান্জাবী, ফোতুয়া এবং মেয়েদের থ্রি-পিছ,টু-পিছ,ওয়ান-পিছ,বেড কাভার কুশনকাভার ইত্যাদি অতিব প্রয়োজনীয় জিনিস এখানে পাওয়া যায়।এ সকল বুটিক হাউজ গুলো দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাইরের দেশে তাদের পন্য রপ্তানি করছে। এবার একটু লক্ষ্য করে দেখবেন যে গত রোজার ঈদ এ বিভিন্ন বুটিক হাউজ বেশ ভাল ব্যবসা করেছে। যাদের এই ক্ষুদ্র উদ্দ্যক্তাদের সাথে পরিচয় আছে তাদের সাথে কথা বললে আপনি বুঝবেন তার পরও তার খুব একটা ভাল সময় পার করছে না। কার (আরো পড়ূন)


আমার দেখা পদ্মা

আমি পদ্মা নদীর গরর্জন এর কথা আমার বাপ দাদার কাছে অনেক শুনেছি। তার বলত পদ্মা নদীর নাকি গর্জন দশ মাইল দুর থেকে শোনা যেত। আমি আজ পদ্মা দেখি, নেই তার কোন গর্জন যেন পরাজিত সেনাদের মত মাথা নিচু করে বয়ে যায়। আমরা যদি এই পদ্মার সাথে আমার বাপ দাদার পদ্মা কে মিলাতে যায় তা হলে কি মিল পাব? আসলে কোন মিলই খুঁজে পাব না। আমাদেরকে এখন কোন রাষ্ট্র পানি ‍দিলে তবে পানি পায়। যখন তার ডুবতে থাকে তখন পানি ছাড়ে। যার জন্য উত্তরান্চল আজকে মরুভূমিতে পরিনত হতে চলেছে। আর হয়তো বেশি দুরে আমরা অবস্থান করছি না। হয়ত একদিন দেখবো শুধুমাত্র শররের পানি নিষ্কাষন এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে আমার বাপ দাদার এই পদ্ম (আরো পড়ূন)


আমার দেখা পদ্মা

আমি পদ্মা নদীর গরর্জন এর কথা আমার বাপ দাদার কাছে অনেক শুনেছি। তার বলত পদ্মা নদীর নাকি গর্জন দশ মাইল দুর থেকে শোনা যেত। আমি আজ পদ্মা দেখি, নেই তার কোন গর্জন যেন পরাজিত সেনাদের মত মাথা নিচু করে বয়ে যায়। আমরা যদি এই পদ্মার সাথে আমার বাপ দাদার পদ্মা কে মিলাতে যায় তা হলে কি মিল পাব? আসলে কোন মিলই খুঁজে পাব না। আমাদেরকে এখন কোন রাষ্ট্র পানি ‍দিলে তবে পানি পায়। যখন তার ডুবতে থাকে তখন পানি ছাড়ে। যার জন্য উত্তরান্চল আজকে মরুভূমিতে পরিনত হতে চলেছে। আর হয়তো বেশি দুরে আমরা অবস্থান করছি না। হয়ত একদিন দেখবো শুধুমাত্র শররের পানি নিষ্কাষন এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে আমার বাপ দাদার এই পদ্ম (আরো পড়ূন)


আমার দেখা পদ্মা

আমি পদ্মা নদীর গরর্জন এর কথা আমার বাপ দাদার কাছে অনেক শুনেছি। তার বলত পদ্মা নদীর নাকি গর্জন দশ মাইল দুর থেকে শোনা যেত। আমি আজ পদ্মা দেখি, নেই তার কোন গর্জন যেন পরাজিত সেনাদের মত মাথা নিচু করে বয়ে যায়। আমরা যদি এই পদ্মার সাথে আমার বাপ দাদার পদ্মা কে মিলাতে যায় তা হলে কি মিল পাব? আসলে কোন মিলই খুঁজে পাব না। আমাদেরকে এখন কোন রাষ্ট্র পানি ‍দিলে তবে পানি পায়। যখন তার ডুবতে থাকে তখন পানি ছাড়ে। যার জন্য উত্তরান্চল আজকে মরুভূমিতে পরিনত হতে চলেছে। আর হয়তো বেশি দুরে আমরা অবস্থান করছি না। হয়ত একদিন দেখবো শুধুমাত্র শররের পানি নিষ্কাষন এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে আমার বাপ দাদার এই পদ্ম (আরো পড়ূন)


বঙ্গবন্ধুর প্রথম কারাবাসঃ একজন রাজনৈতিক কর্মীর প্রতিচ্ছবি

“ আমার বয়স একটু বেশী। তাই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী করার ভার পড়ল আমার উপর। আমি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী করলাম দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে। পরে দেখা গেল হিন্দু ছাত্ররা স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী থেকে সরে পরতে লাগল। ব্যাপার কি বুঝতে পারছি না। এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম। সেও ছাত্র, সে আমাকে বলল, কংগ্রেস থেকে নিষেধ করেছে। আমাদের যোগদান করতে। যাতে বিরুপ সম্ভর্ধনা হয় তারও চেষ্টা করা হবে। এগযিবিশনে যাতে দোকান পাট যাতে না বসে। তাও বলে দেওয়া হয়েছে। তখনকার দিনে শতকরা আশিটি দোকান হিন্দুদের ছিল। আমি এই খবর শুনে আশ্চর্য হলাম। কারণ আমার কাছে তখনও হিন্দু, মুসলমান বলে জিনিস ছিল না। একসাথে গান, বাজনা (আরো পড়ূন)


মুক্তচিন্তা চ‌র্চা ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

সম্প্রতি মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা নিয়ে বেশ আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে তুমুল। নির্দিষ্ট করা হচ্ছে লেখক নামক ব্লগারদের যারা অনলাইনে লেখালেখি করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ব্লগার বিষয়েই আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে বেশী। ব্লগার শব্দটি নতুন সংযোজন আমাদের জগতে। অনলাইনে মুক্তভাবে লেখালেখিতে যুক্ত লেখকদের ব্লগার হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং এর সাথে নাস্তিক শব্দটি ও যুক্ত হয়েছে সম্প্রতি। ব্লগার ও নাস্তিক শব্দ দুইটি খুবই দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে সর্বত্র। মৌলবাদীরা খুব সহজেই এই দুইটি শব্দকে দিয়ে সমগ্র প্রগতিশীল মুক্তমনা লেখক সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আর সাধা (আরো পড়ূন)


রাজশাহী পদ্মার পারে ফারাক্কা লং মার্চ এর ৪০তম বার্ষিকি উদযাপন

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিচালিত ফারাক্কা লং মার্চ এর ৪০তম বার্ষিকী উপলক্ষে  বিশাল গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয় ১৬ মে ২০১৬, লালন শাহ মুক্তমঞ্চ, পাঠানপাড়া, (পদ্মা নদীর পাড়), রাজশাহী। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ফারাক্কা লং মার্চ উদযাপন কমিনি, রাজশাহী, বাংলাদেশ। সৌজন্যে: নদী ও পরিবেশ আন্দোলন, রাজশাহী বাংলাদেশ।

এই গণজমায়েতে বক্তব্য দেন পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড.এস আই খান, ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী, কবি ও গবেষক ফরহাদ মজহার,  প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহমদ, পানি প্রকৌশলী এম ইনামূল হক প্রমুখ। এর আগে এ উপলক্ষে পদ্মা-ফারাক্কা বিষয়ক শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

(আরো পড়ূন)

বিষণ্ণতা(Depression):

“Whenever you read a cancer booklet or website or whatever, they always list depression among the side effects of cancer. But, in fact, depression is not a side effect of cancer. Depression is a side effect of dying.” ― John Green, Fault of our Stars.
আমি অনেক সময়ই বিষণ্ণতায় ভুগি, যা মোটেও ভালো বিষয় নয়।আমার বিষণ্ণতার অনেকগুলো কারন থাকতে পারে। সবগুলো আমি নিজেও জানি না। কত যে নির্ঘুম রাত কেটে গেছে তার হিসেব নেই। মাঝে মাঝে আমি ব্যাখ্যা দাঁড় করাই। যাইহো (আরো পড়ূন)

ধর্ম প্রসঙ্গে মার্কস: আসুন পর্যালোচনা করি

মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম ধর্ম সম্পর্কে কার্ল মার্কসের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে ফেইসবুকে একটি স্টেটাস দিয়েছিলেন। ধর্মে বিশেষত মার্কস কিভাবে ধর্মকে বিচার করেছেন সেই দিকে তার আগ্রহের জন্য আমি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলাম। তিনি অবশ্য ঠিক ভাবে উদ্ধৃতিটি দেন নি, উদ্ধৃতিটির প্রেক্ষাপট সম্পর্কেও তিনি ঠিক বলেন নি। ধর্মের প্রশ্নে মার্কসের অবস্থান আসলে কী ছিল এবং এখন যাঁরা নিজেদের মার্কসের অনুসারী বলে দাবি করেন তাঁদের অবস্থান বাংলাদেশে আদৌ মার্কসের চিন্তার সঙ্গে সঙ্গতিপরায়ন কিনা তা নিয়ে কথা খুবই জরুরী। তার একটা সুযোগ তৈরি হতে পারে ভেবেই আমি উৎসাহিত হয়েছি। অন্যরা আগ্রহী হতে পারেন ভেবে কমরেড মোজাহ (আরো পড়ূন)


বঙ্গবন্ধু ও জয় বাংলা

বঙ্গবন্ধু ও জয় বাংলা শব্দ দুইটি ওতোপ্রতভাবে ভাবে জড়িত। বাঙ্গালীর ইতিহাস তো বটেই বাংলা ও বাঙ্গালীর রাজনীতি ও সংস্কৃতির একটি অন্যতম ম্লোগান বলা যায় এই জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ছাড়া জয় বাংলা যেমন অর্থহীন তেমনি জয় বাংল ছাড়াও বঙ্গবন্ধু শব্দটি পূর্ণতা পায় না। অন্তত পক্ষে স্লোগানের ক্ষেত্রে। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান ধারন করেই মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন সবাই। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু পংথিটি একটি কবিতার মতো আর এই কবিতার সৃষ্টি হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকেই ঘিরেই। এছাড়া জয় বাংলা স্লোগান বঙ্গবন্ধুরই আবিষ্কার। কবি নজরুল ইসলামের একটি কবিতা থেকে জয় বাংলা স্লোগানটি বঙ্গবন্ধু নিয়েছিলে (আরো পড়ূন)


তোমার মতো দয়াল বন্ধু আর পাবো না

‘দেখা দিয়ে ওহে রসুল ছেড়ে যেও না
তোমার মতো দয়াল বন্ধু আর পাবো না
তোমা বিনে পারের লক্ষ্য আর তো দেখি না।।

রসুল দেখা দিয়ে যেন আবার ছেড়ে না যান, সেই আকুতি ও আর্তনাদে ভারী এই গান। সহজ অথচ গভীর। নবপ্রাণ আখড়াবাড়ির নিত্য গাওয়া সকলের অতি প্রিয় এই গানটি সন্ধ্যায় দৈন্য গানের অনুষ্ঠানে গাইছে নবপ্রাণের ছাত্রী পূর্ণিমা দাস।

নদিয়ার জাতপাত বা বর্ণাশ্রম প্রথার বিরোধিতা বোঝার সঙ্গে সরাসরি ইসলাম ও বঙ্গে ইসলামের ইতিহাস – বিশেষত সুলতানী আমলের ভূমিকা বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নদিয়া ইসলামের জাতপাত বিরোধিতার আদর্শ মনেপ্রাণে গ্রহণ করেছে অবশ্যই। জাতপাত বিরো (আরো পড়ূন)


একটি রায়ের অপেক্ষায় পুরো দেশ

বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবী সেই ১৯১৮ সালে, ডঃ মুহম্মদ শহিদুল্লার হাত ধরে । ১৯২১ সালেও নবাব সৈয়দ নবাব আলী চৌধুরী বাংলা ভাষাকে বাংলার রাষ্ট্রভাষা করার জন্য বৃটিশ সরকারের কাছে লিখিত প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। পরবর্তী পর্যায়ে পাকিস্তান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯৪৭ সালের পূর্বেই বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার এবং লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী পূর্বাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিতব্য ‘পূর্ব পাকিস্তান'-এর রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়েছিল। এতদিন অবধি আন্দলোন ছিল কাগজ কলমে। দেশ বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে শুধু মাত্র উর্দু কে রাষ্ট্র ভাষা করার হীন সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান সরকার। "উর্দু বাংলা (আরো পড়ূন)


সমাজ - সংস্কৃতি ও সাম্প্রতিক ভাবনা

সমাজ ও সংস্কৃতি

সমাজ - সংস্কৃতি ও সাম্প্রতিক ভাবনা

আবুল কালাম আজাদ

সমাজ ও সংস্কৃতিতে ভাঙ্গনের সুর বাজছে। রাজনীতিতে তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়িেছল অনেক পূর্বেই। সমাজ ও সংস্কৃতিতে এই পরিবর্তনটা বোঝা যায় ধীরে ধীরে। রাজনৈতিক পরিবর্তনটা যত সহজে চোখে পড়ে সেই দিক দিয়ে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনগুলো তত সহজে চোখে পরে না। ভাঙ্গন বলি আর পরিবর্তনই বলি না কেন- এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা ও অস্থিরতা একটি মূল কারণ। এই বিছিন্নতা বা অস্তিরতা মানুষ মানুষে, মানুষে ও সংস্কৃতিতে, মানুষ ও সমাজে, সমাজে ও সংস্কৃতিতে, সংস্কৃতির সাথে সমাজের , সর্বোপরি সামাজিক জীব ম (আরো পড়ূন)