চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

'প্রচলিত গণতন্ত্রে সত্য লুকানো হয় বলেই একে 'কুফরি' বলা হয়'

এ সাক্ষাৎকারটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে 'মাসিক রহমত' পত্রিকার আগস্ট ২০১৩, বর্ষ ২১, সংখ্যা ২৪৮। বাংলাদেশে ইসলামপন্থী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে ইসলাম ও গণতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ক। সাক্ষাৎকারে দর্শন ও ইতিহাসের দিক থেকে এই প্রশ্নটি ইসলামি রাজনীতি কিভাবে মোকাবিলা করতে পারে সে সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণশক্তি বিকাশের বাস্তব ও ব্যবহারিক দিকগুলোও আলোচনায় এসেছে। রাজনীতির তিনটি প্রধান 'স্তর' শনাক্ত করা হয়েছে যাতে জনগণের দিক থেকে এখনকার বাস্তব কাজের ধরণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা নির্ণয় সহজ হয়। সে তিনটি স্তর হচ্ছে (ক)  ইমান-আকিদার লড়াই, (খ)  বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ইসলামের দ্বন্দ্ব টিকিয়ে (আরো পড়ূন)

ধর্ম প্রসঙ্গে

[ চিন্তা (বৃহস্পতিবার) পাঠচক্রে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হয়। তার মধ্যে ধর্ম, ধর্মতত্ত্ব, দর্শন ভাবুকতা ইত্যাদি অন্যতম। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ফরহাদ মজহার যে আলোচনা করেছেন এখানে তার কিছু সারসংক্ষেপ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হোল। আলোচনাগুলো যেন হারিয়ে না যায় তার জন্য কিছু বিষয় রেকর্ড করে রাখবার চেষ্টা। আশা করি একে কেন্দ্র করে আরও আলোচনার সুবিধা তৈরী হবে।

বলাবাহুল্য, মুখোমুখি আলাপের গুরুত্ব আলাদা। প্রবন্ধ বা লেখা হিশাবে হাজির করবার চেয়ে জীবন্ত প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা বিষয়ে প্রবেশ করতে অনেক বেশি সহায়ক, এটাই আমাদের ধারণা।  এর বৈশিষ্ট কোথায় পাঠক পড়া মাত্রই বুঝতে পারবেন। প্রাথমিক আলাপের কিছু অংশ এ (আরো পড়ূন)

নতুন গণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া ছাড়া বাংলাদেশের  বিকল্প নাই

[ এ বছর ২৩-২৪ জুন নিউইয়র্কে এবিসি কনভেনশানে ফরহাদ মজহার যোগ দিয়েছিলেন। উত্তর আমেরিকার সর্বাধিক প্রচারিত পত্রিকা “ঠিকানা’ এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা। নিউ ইয়র্ক থাকা কালীন ‘ঠিকানা’ পত্রিকার তরফে জাভেদ খসরু তখন একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। অগাস্টের শেষ সপ্তাহে "শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে কেন বলা যাবে না, তিনি কি ফেরেশতা?"  শিরোনামে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে সাক্ষাৎকারটির একটি সংক্ষিপ্ত রূপ দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় (২৬ আগাস্ট ২০১২) ছাপা হয়েছে। তাদের শিরোনামঃ "সংবিধান জনগণের অধীন থাকলে সংসদ, নির্বাহী ও বিচার বুভাগে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক উঠত না"। এখানে পুরা সাক্ষাৎকারটি পেশ করা হোল।] (আরো পড়ূন)