চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

আল্লার বান্দা কিসে হয় বলো গো আমায়

আল্লার বান্দা কিসে হয় বলো গো আমায়।
খোদার বান্দা নবির উন্মত কী করিলে হওয়া যায়।।

আঠারো হাজার আল্লার আলম
কত হাজার তার কালাম
সিনা সফিনায় কয় হাজার তামাম
    কয় হাজার এই দুনিয়ায় ।।

কত হাজার আহাদ কালাম
তাহার খবর বল আমায়
কোন সাধনে নূর সাধিলে
   সিনার কালাম হয় আদায়।।

গোলামি করিলে পরে
আল্লাহ-ভেদ পেতে পারে
লালন বলে আহাদ কালাম
   দিবেন কি সাঁই দয়াময়।।

(আরো পড়ূন)

আল্লা সে আল্লা বলে ডাকছে সদাই কার ফিকিরি

আল্লা সে আল্লা বলে ডাকছে সদাই কার ফিকিরি।
জানলে সেই ফিকির-ফাকার তারই এবার হয় ফকিরি।।

 আত্নারূপে পরিচয় নাই যার
পড়লে কি যায় মনের অন্ধকার
আবার আত্মারূপে কর্তা হয়
     হয় বিচারি।।

কোরানে  কোরান কালুল্লায়
কুল্লে সাইন মোহিত লেখা যায়,
আল জবানের খবর জেনে
     হও হুঁশারি।।

বাদ পড়ে ভেদ পেত যদি সবে
গুরুর গৌরব থাকত না তবে
লালন ভনে তাই না জেনে
   গোলমাল করি।।

(আরো পড়ূন)

নাম সাধন বিফল বরখজ বিহনে

 নাম সাধন বিফল বরখজ বিহনে
এখানে সেখানে বরজখ
মূল অন্বেষণ [১] দেখ মনে ।।

বরজখ ঠিক না হয় যদি
ভুলায় তারে শয়তান গিধি
ধরিয়ে রূপ নানাবিধি
চিনবি কি রূপ-প্রমানে।।

চার ভেঙ্গে দুই হল পাকা
এই দুই বরজখ লেখা
তাতে হল আর এক ধোঁকা
দুই দিক ঠিক রাখা যায় কেমনে।।

নৌকা ঠিক নাই বিনা পাড়ায়
নিরাকারে মন কি দাঁড়ায়
লালন মিছে ঘুরে দাঁড়ায়
অধর ধরতে চায় বরজখ বিনে।।

 

(আরো পড়ূন)

মুখে পড়বে সদাই লাইলাহা ইল্লাল্লা

মুখে পড়বে সদাই লাইলাহা ইল্লাল্লা[১]
আইন ভেজিলেন রাসুলুল্লা।।

নামের সহিদ রূপ   ধেয়ানে রাখিয়া জব
নিরাকারে[২] যদি ডাক চিনবি কিরূপ কে আল্লা

লা-শরীক জানিয়া তাকে  পড় কালাম দিলে মুখে
নামরুপের ধেয়ানে চোখে  দেখবিরে নূর তাজেল্লা।।

লাইলাহা নফি সে হয়  ইল্লাল্লাহ সেই দীন দয়াময়
নফি-এজবাত যাহারে কয়  সেহিতো এবাদত-উল্লা।।

বলেছেন সাঁই আল্লা নূরী  এই জেকেরের দারজা ভারি
সিরাজ সাঁই তাই কয় পুকারি  শোনরে লালন বে-লিল্লা।।

 

 

(আরো পড়ূন)

এস হে প্রভু নিরঞ্জন

এস হে প্রভু নিরঞ্জন।
এ ভবতরঙ্গ দেখে আতঙ্কেতে যায় জীবন।।

তুমি ভক্তি তুমি মুক্তি
অনাদির আদ্যাশক্তি
দাও হে আমার ভক্তির শক্তি
যাতে তৃপ্তি হয় ভব জীবন।।

ধ্যান যোগে তোমায় দেখি
তুমি সখা আমি সখী
মম হৃদয় মন্দিরে থাকি
ঐরুপ দাও গো দরশন।।

ত্রিগুনে সৃজিলে সংসার
লীলা দেখে কয় লালন তার
ছাতরাতুল মন তাহার উপর
নুর তাজেল্লার হয় আসন।।

(আরো পড়ূন)

আল্লার নাম সার করে যেজন বসে রয়

আল্লার নাম সার করে যেজন বসে রয় 
তার আবার কিসের কালের ভয়।।

আল্লার নাম মুখেতে বল
সময় যে বয়ে গেল
মালেকুত মওত এসে বলিবে চল
যার বিষয় সে লয়ে যাবে
  সেকি করবে ভয়।।

আল্লার নামের নাই তুলনা
সাদেক দিলে সাধলে পরে
বিপদ থাকে না।
সে যে খুলবে তালা, জ্বালবে আলা
দেখতে পাবে জ্যোতিময়।।

ভেবে ফকির লালন কয়
নামের তুলনা দিতে নয়
আল্লা হয়ে আল্লা ডাকে
জীবে কি তার মম পায়।।

 

 

(আরো পড়ূন)

আল্লা  বল মন রে পাখি

আল্লা [১] বল মন রে পাখি
ভবে কেউ কারো নয় রে দুঃখের দুখী।।

ভুলো না রে ভবে ভ্রান্ত কাজে
অদেখা[২] সব কাণ্ড মিছে
মন রে আসতে একা যেতে একা
এ ভব-পিরিতের ফল আছে কি।।

 হাওয়া বন্ধ হলে সুবাদ কিছুই নাই
বাড়ির বাহির করেন সবাই
মন তোর কেবা আপন পর কে তখন
দেখে শুনে খেদে ঝরবে আঁখি।।

গোরের কিনারে যখন লয়ে যায়
কাঁদিয়ে সবায় প্রান ত্যজিতে চায়
লালন কয় কারো গোরে কেউ না যায়
থাকতে হয় একাকি।।

 

 

(আরো পড়ূন)

একবার ডাক রসনা মওলা বলে

একবার ডাক রসনা মওলা বলে
গেল দিন ছাড় বিষয় বাসনা

যে দিনে সাঁই হিশাব নিবে
আগুন পানির তুফান হবে
এ বিষয় তোর কোথায় রবে
(একবার) ভেবে দেখলে না।।

 সোনার কুঠুরি কোঠারে মন
সোনার খাট পালঙ্কে শয়ন
শেষে হবে সব অকারন
(সার হবে) মাটির বিছানা।।

ঈমান-ধন আখেরের পুঁজি
সে ঘরে দিলে না কুঁজি
লালন বলে হারলে বাজি
(শেষে আর) কাঁদলে সারবেনা।।

(আরো পড়ূন)

হক নাম বল রসনা

হক নাম বল রসনা
যে নাম শরনে যাবে
জঠর যন্ত্রনা।

শিয়রে শমন বসে   কোন সময় বাঁধিবে কষে
ভুলে রলি বিষয় বিষে   দিশে হল না।।

 কবার যেন ঘুরে ফির   মানব জনম পেয়েছো রে
এবার যেন আলস্য করে   সে নাম ভুলো না।।

 ভবেরো ভাই বন্ধু আদি   কেউ কারো নয় সাথের সাথী
লালন বলে মুরশিদ-রতি   করো সাধনা।।

(আরো পড়ূন)

ডাকরে মন আমার হক নাম আল্লা বলে

ডাকরে মন আমার হক নাম আল্লা বলে
ভেবে বুঝে দেখ সকলি না হোক
হক মোর আল্লার নামাটি, দাও ভুলিলে।।

 ভরসা নাই এ জেন্দেগানি[১]
যেমন পদ্ম পাতার পানি পড়বে টলে।
সুখের বাড়ি ঘর কোথা পাব কার
হোকনা হোক কেবল  সঙ্গে চলে।।

 ভবেরো ভাই বন্ধু যারা
বিপদ দেখিলে তারা   পালাবে ফেলে।।
কায়-প্রানে ভাই আখের সুপদ নাই
ক্ষনেক পহ্মী যেমন থাকে   বৃহ্ম ডালে।।

 অকাজে দিন হোল রে সাম
কখন লবা সেই আল্লার নাম  বাজার ভাঙিলে
পেয়েছিলে মন দুলভ জনম
লালন কয় এ জনম   যায় বিফলে।।

(আরো পড়ূন)

এলাহি আলামীন (গো) আল্লা-বাদশা আলমপনা তুমি

এলাহি আলামীন (গো) আল্লা-বাদশা আলমপনা তুমি
(তুমি) ডুবায়ে ভাসাইতে পার, ভাসায়ে কিনার দাও কারো
রাখো মারো হাত তোমারও, তাইতে তোমায় ডাকি আমি [১]।।

 নূহ নামে এক নবীরে, ভাসালে অকুল
আবার তারে মেহের করে, আপনি লাগাও কিনারে
জাহের আছে এিসংসারে, আমায় দয়া কর স্বামী।।

নিজাম নামে বাটপার সেতো, পাপেতে ডুবিয়া রইত
তার মনে সুমতি দিলে,কুমতি তার গেল চলে[২] 
আউলিয়া নাম খাতায় লিখিলে, জানা গেল এই রহমি।।

নবী না মানে যাঁরা, মোয়াহেদ-কাফের তারা[৩]
সেই মোহাহেদ-দায়মাল হবে, বেহিশাব দোজখে যাবে
আবার তারে খালাস দিবে, লালন কয় মোর কি হয় জানি।।

(আরো পড়ূন)