চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

সে কি আমার কবার কথা

সে কি আমার কবার কথা
    আপন বেগে আপনি মরি।।
দয়াল হরি এসে হৃদয় বসে
   করে আমার মন চুরি।।

|দেখলাম যারে ঘুমের ঘোরে
   চেতন হয়ে পাইনা তারে
কোন শহরে লুকাইলে
   নব বসের রস বিহারী।।

কিবা গৌর রূপ লম্পটে
    ধৈর্য্য ডুরি দেয় গো কেটে
আমার লজ্জা শরম যায় গো ছুটে
   ঐ রূপ যখন মনে করি।।

চাতক রইল মেঘের আশে
   ফাঁকি দিয় আর না আসে
লালন বলে তাই আমাকে
   করলেন গৌর বরাবরই।।

(আরো পড়ূন)

ভজ রে আনন্দের গৌরাঙ্গ

ভজ রে আনন্দের গৌরাঙ্গ ।
যদি তরিতে বাসনা থাকে
   ধর রে মন সাধুর সঙ্গ।।

সাধুর গুন যায় না বলা
শুদ্ব চিও অন্তর খোলা
সাধুর দরশনে যায় মনের ময়লা
   পরশে প্রেমতরঙ্গ।।

সাধুজনার প্রেমহিল্লালে
কত মানিক-মুক্তা ফলে
সাধু যারে কৃপা করে
   প্রেমময়ে দেয় প্রেমানঙ্গ।।

একরসে হয় প্রতিবাদী
একরসে ঘুরছে নদী
একরসে নৃত্য করে
   নিত্যরসের শ্রী গৌরাঙ্গ।।

সাধুর সঙ্গগুনে রঙ ধরিবে
পূর্ব-স্বভাব দূরে যাবে
লালন  বলে পাইবে প্রানের গোবিন্দ
   করবে সৎসঙ্গ।।

(আরো পড়ূন)

জগত শক্তিতে ভোলালে সাঁই

জগত শক্তিতে[১] ভোলালে সাঁই
ভক্তি দেও হে যাতে চরন পাই।।

রাঙা চরন দেখবো বলে
বাঞ্ছা সদাই হূদ-কমলে
তোমার নামের মিঠায় মন মজেছে
   (আমি) রূপ কেমন তাই দেখতে চাই।।

ভক্তি-পথ বঞ্ঝিত করে
শক্তি-পথ দিচ্ছ তারে
যাতে জীব ব্রহ্মাণ্ডে ঘোরে
  কাণ্ড তোমার দেখি তাই।।

চরনের যোগ্য মন তো নয়
তথাপি মন ঐ চরন চায়
অধীন লালন বলে , হে দয়াময়
  (তুমি) দয়া করো আজ আমায় ।।

 

 

(আরো পড়ূন)

কাজ কি আমার এ ছার কুলে

কাজ কি আমার এ ছার কুলে
  আমার গৌর চাঁদকে যদি মেলে।।

মনচোরা পাশরা ও গৌর রায়
অকুলের কুল জগতময়
যে নবকুল আশায় সে কুল দোষায়
  বিপদ ঘটিবে তার কপালে ।।

কূলে কালি দিয়ে ভজিব সই
অন্তিম কালে বান্ধব যেই
ভব বন্ধুজন, কি করবে তখন
  দীনবন্ধুর দয়া না হইলে।।

কুল গৌরবী লোক যারা
গুরু গৌরব কি জানে তারা
যে ভাবের যে লাভ,জানা যাবে সব
  লালন বলে আখের হিশাব কালে।।

(আরো পড়ূন)

আমায় চরন ছাড়া কোরো না হে  দয়াল হরি

 আমায় চরন ছাড়া কোরো না হে  দয়াল হরি
(হরি আমি) পাপ করি পামর বটে[১], দোহাই দেই তোমরই।।

চরনের যোগ্য মন নয়
তবু মন ঐ রাঙা চরন চায়
দয়াল চাঁদের দয়া হইলে
   পারে যাই অপারি।।

অনিত্য সুখের সব ঠাঁই
তাই দিয়ে জীব  ভুলাও হে গোঁসাই
চরন দিতে কেন তাতে
   কর হে চাতুরি।।

ক্ষম অধীন দাসের অপরাধ
শীতল চরন দাও হে দীননাথ
লালন বলে ঘুরিও না হে
   করে মায়াকারী।।

(আরো পড়ূন)

জানবো  হে এই পাপী হতে

জানবো  হে এই পাপী হতে।
যদি এসেছো হে গৌর জীবকে তারিতে।।

নদীয়া নগরে (ছিল) যত জন
সবারে বিলালে প্রেম (রত্ন)ধন,
আমি নরাধ্ম না জানি মরম,
চাইলে না হে গৌর আমা পানেতে।।

তোমারি সুপ্রেমেরই হাওয়ায়
কাষ্ঠের পুতুলী নলীন হয়,
আমি দীনহীন ভজনবিহীন
অপার হয়ে বসে আছি কূপেতে।।

মলয় পর্বতের উপর
যত বৃক্ষ সকলি হয় সার,
কেবল যায় জানা  বাঁশে সার হয় না,
লালন প’ল তেমনি প্রেম-শূন্য চিতে।।

(আরো পড়ূন)