চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

আমার দিন কি যাবে এই হালে

আমার দিন কি যাবে এই হালে
আমি পড়ে আছি অকুলে
কত অধ্ম পাপী তাপি
  অবহেলায় তারিলে।।

জগাই মাধাই দুটি ভাই,
কাঁধা ফেলে মারিলে গায় তারেও তো নিলে,
আমি পাপি ডাকছি সদায়
  দয়া হবে কোন কালে।।

অহল্যা পাষানী ছিল
সেও ত মানবী হল(প্রভুর) চরন ধুলতে,
আমি তোমার কেউ নহি গো[১]
  তাই কি মনে ভাবিলে।।

তোমার নাম লয়ে যদি মরি
দেখব তবু তোমারেই আর যাব কোন কুলে
তোমা বই আর কেউ নাই আমার
  মূঢ় লালন কেঁদে বলে।।

 

(আরো পড়ূন)

আয় কে যাবি ওপারে

আয় কে যাবি ওপারে
দয়াল চাঁদ মোর দিচ্ছে খেয়া অপার সাগরে

যে দিবে সেই নামের দোহাই
তারে দয়া করবেন গোঁসাই
এমন দয়াল আর কেহ নাই
   ভবের মাঝারে।।

পার করে জগৎ বেড়ি
নেয় না সে পারের কড়ি,
সেরে সুরে মনের দেড়ি
   ভার দে না তারে।।

দিয়ে ঐ শ্রীচরনে ভার
কত অধ্ম পাপী হলো যে পার,
সিরাজ সাঁই কয়, লালন তোমার
   বিকার যায় না রে।।

(আরো পড়ূন)

পারে কে যাবি তোরা আয় না ছুটে

পারে কে যাবি তোরা আয় না ছুটে
নিতাই চাঁদ হয়েছে নেয়ে ভবের ঘাটে

হরি নামে তরনী তার
রাধা নামে বাদাম সার
(ভব) তুফান বলে ভয় কিরে তার
  সেই নায় উঠে।।

নিতাই আমার বড় দয়াময়
পারের কড়ি নাহি সে লয়
এমন দয়াল মিলবে কোথায়
   এই ললাটে।।

ভাগ্যবান যে জন ছিল
সেই তরীতে পার হইল
লালন ঘোর তুফানে প’লো
  ভক্তি কেটে।।

(আরো পড়ূন)

দয়াল  নিতাই কারো ফেলে যাবে না

দয়াল  নিতাই কারো ফেলে যাবে না
  ধর চরন ছের না ।।

দৃড় বিশ্বাস করেরে মন
ধর নিতাই চাঁদের চরন
এবার পার হবি পার হবি তুফান
  এপারে কেউ থাকবে না।।

হরি নাম তরনী লয়ে
ফিরছে নিতাই নেয়ে হয়ে
এমন দয়াল চাঁদকে পেয়ে
  শরন কেন নিলে না।।

কলির জীবকে হয়ে সদায়
পারে যেতে ডাকছে নিতাই
অধীন লালন বলে মন চল যাই
  এমন দয়াল মিলবে না।।

 

(আরো পড়ূন)

চরন পাই যেন কালাকালে

চরন পাই যেন কালাকালে
   ফেলো না দূর-অধ্ম বলে।।

সাধলে পাবো চরন তোমার
সে-ক্ষমতা নাই গো আমার
দয়াল নাম শুনিয়ে আশায়
   চেয়ে আছি কাঙ্গালে।।

জগাই মাধাই পাপী ছিল
কাঁধা ফেলে গায়ে মারিল
তাহে প্রভুর দয়া হলো
  দয়া কর সেই হালে।।

ভারত-পুরানেতে শুনি
পতিত পাবন নামের ধ্বনি
(ফকির) লালন বলে সত্য জানি
   অধীনে চরন দিলে।।

 

(আরো পড়ূন)