চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

সকালে যাই ধেণু লয়ে

সকালে যাই ধেণু লয়ে
এই বনে ভয় আছে ভাই
মা আমায় দিয়েছে কয়ে ॥

আজকের খেলা এই অবধি
ফিরা’ নে ভাই ধেণু আদি।।
প্রাণে বেঁচে থাকি যদি
কাল আবার খেলব আসিয়ে ॥

নিত্য নিত্য বন  ছাড়ি
সকালে গিয়েছি বাড়ি।।
আজ মোদের দেখে দেরি
মা আছে পথ পানে চেয়ে ॥

বলেছিল মা যশোদে
কানাই দিলাম বলাইয়ের হাতে।।
ভালমন্দ হলে তাতে
লালন কয় কি বলব যেয়ে ॥

 

(আরো পড়ূন)

কোথা গেলি ও ভাই কানাই

কোথা গেলি ও ভাই কানাই
সকল বন খুঁজিয়ে তোরে
নাগাল পাইনা ভাই ॥

বনে আজ হারিয়ে তোরে
গৃহে যাব কেমন করে।।
কি বলবো মা যশোদারে
ভাবনা হল তাই ॥

মনের ভাব বুঝতে নারি
কি ভাবের ভাব তোমারি।।
খেলতে খেলতে দেশান্তরি
ভাবে তো দেখতে পাই ॥

আজ বুঝি গো চারণখেলা
খেলবি না রে নন্দলালা।।
লালন বলে চরণবালছা
পাই না বুঝি ঠাই ॥

(আরো পড়ূন)

বনে এসে হারালাম কানাই

 বনে এসে হারালাম কানাই
কি বলব মা যশোদায়।
খেললাম সবে লুকালুকি
আবার হল দেখাদেখি।।

মোদের কানাই গেল কোন মুল্লুকি
খুঁজে নাহি পাই ॥
ছিদাম বলে নেব খুঁজে
লুকাবে কোন বন মাঝে।।

দাদা বলাই বলে আর বুঝি সে
দেখা দেয় না ভাই ॥
সুবল বলে পল মনে
বলেছিল একদিনে।।

কানাই যাবে গুপ্ত বৃন্দাবনে
আজ গেলেন বুঝি তাই।
খুঁজে খুঁজে হলাম সারা
কোথা গেলি মনচোরা।।

আর বুঝি দিবি না ধরা
লালন বলে একি হল হায়।

(আরো পড়ূন)

ও মা যশোদে তা আর বল্লে কি হবে

ও মা যশোদে তা আর বল্লে কি হবে
গোপালকে যে এঁটো দেই মা
মনে যে ভাব ভেবে ॥

কান্ধে চড়ায় কান্ধে চড়ি
যে ভাব ধরায় সে ভাব ধরি
এসবই বাসনা তারি
বুঝেছি পূর্বে ॥

মিঠার জন্যে এঁটো দিই মা
পাপ-পূণ্যের জ্ঞান থাকেনা
গোপাল খেলে হই  সন্ত্বনা
পাপ পূণ্য কে ভাবে ॥

গোপালের সঙ্গে যে ভাব
বলতে আকুল হয় মা তা সব
লালন বলে পাপ পূণ্য লাভ
ভুল হয় গোপালকে সেবে ॥

(আরো পড়ূন)

বলরে বলাই তোদের ধরণ কেমন হারে

বলরে বলাই তোদের ধরণ কেমন হারে
তোরা বলিস সব রাখাল ঈশ্বর গোপাল
সেই গোপালকে মানিস কৈ রে ॥

বনে যেয়ে বনফল পাও
এঁটো করে গোপালকে দাও
তোদের এ কেমন ধর্ম, বল সেই মর্ম
আজ আমারে ॥

আমারে বোঝারে বলাই
ৰতোদের তো সেই ভাব দেখি নাই
তোরা ঈশ্বর বলিস যার, কাঁধে চড়িস তার
কোন বিচারে ॥

গোষ্ঠে গোপাল যে দুঃখ পায়
কেঁদে কেঁদে বলে আমায়ে
লালন বলে তার, ভাব বুঝা ভার
এ সংসারে ॥

(আরো পড়ূন)