চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

মন তুই করলি একি ইতরপানা মন তুই করলি একি ইতরপানা

মন তুই করলি একি ইতরপানা
দুগ্ধেতে যেমনরে তোর মিশল চনা।।

শুদ্ধরাগে থাকতে যদি
হাতে পেতে অটল নিধি
বলি মন তাই নিরবধি
   বাগ মানে না।।

কি বৈদিকে ঘিরলো হৃদয়
হলনা সু-রাগের উদয়
নয়ন থাকিতে সদায়
   হলি রে কানা।।

বাপের ধন খেল সাপে
জ্ঞান চক্ষু নাই দেখবি কারে
লালন বলে হিসাব কালে
   যাবে জানা।।

(আরো পড়ূন)

কি করি কোন পথে যাই কি করি কোন পথে যাই

কি করি কোন পথে যাই
   মনে কিছু ঠিক পড়েনা
দোটানাতে ভাবছি বসে ওই ভাবনা।।

কেউ বলে মক্কায় যেয়ে    হজ্ব করিয়ে
   যাবে গুণাহ
কেউ বলে মানুষ ভজে
   মানুষ হ’ না।।

কেউ বলে  পড়লে কালাম  পায় সে আরাম
   ভেস্তখানা,
কেউ বলে ও সুখের ঠাঁই
   কায়েম রয় না।।

কেউ বলে মুর্শিদের ঠাঁই   খুঁজিলে পায়
   আদি ঠিকানা,
লালন ভেড়ো তাই না ভুঝে
   হয় দোটানা।।

(আরো পড়ূন)

তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন

 তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন।
আমি ছিলাম সুখে উর্ধ্ব দেশে
   অধে এনে করলে আমায় হীন।।

তুমি মাতা তুমি পিতা
তুমি হও জ্ঞানদাতা
তুমি চক্ষু দান দিয়ে
   দেখাও আমায় শুভদিন।।

আমি গুরুর করবো ভজন
তাতে বাদী হলো ছয়জন
ও সেই দশে-ছয়ে ষোলআনা
   হলো না মোর সেইদিন।।

ভক্তি নইলে কি মন
গুরুচরন হয় শরন
অধীন লালন ভেবে কয়
   কেমনে শুধিব গুরুঋন।।

(আরো পড়ূন)

যাতে যায় শমন যন্তনা ভ্রমে ভুলো না

যাতে যায় শমন যন্তনা ভ্রমে ভুলো না ।[১]
গুরুর শীতল চরন ভুল না।।

বেদ বৈদিকের ভোলে ভুলি
গুরু ছেড়ে গৌর বলি
মনের ভ্রম এ সকলি
   শেষে যাবে রে জানা।।

চৈতন্য আজব সুরে
থেকে নিকট দেখায় দূরে
গুরুরূপ আশ্রিত করে
   কর রূপের ঠিকানা।।

জগৎ জীবের দ্বারায়
নিজরূপ সম্বব তো নয়
লালন বলে তাইতো গো সাঁই
   দেখায় স্বরূপে রূপ-নিশানা।।

(আরো পড়ূন)

মুরশিদের ঠাঁই নে না রে তার ভেদ বুঝে

মুরশিদের ঠাঁই নে না রে তার ভেদ বুঝে
এ দুনিয়ার সিনায় সিনায় কী ভেদ নবী বিলায়েছেন।।

নেকতন বান্দারা যত
ভেদ পেলে আউলিয়া হোত
নাদানেরা শূল চাঁচিত
  মনসুর তার সাবুদ আছে।

সিনার ভেদ সিনায় সিনায়
সফিনার ভেদ সফিনায়
যে পথে যার মন হোল ভাই
  সেই সেভাবে দাঁড়িয়েছে।।

কুতর্ক আর কুস্বভাবী
তারে ভেদ বলে নাই নবী
ভেদের ঘরে দিয়ে চাবি।।
  শরমতে বুঝায়েছে।।

তফসির হোসাইনি যার নাম
তাঁই ধুঁড়ে মসনবি কালাম
ভেদ-ইশারায় লেখা তামাম
    লালন বলে নাই নিজে।।

(আরো পড়ূন)

মুরশিদকে মানিলে খোদার মান্য হয়

মুরশিদকে মানিলে খোদার মান্য হয়।
সন্দ যদি হয় কাহারো কোরান দেখলে মিটে যায়।।

দেখ বেমুরিদ যত
শয়তানের অনুগত
এবাদত বন্দেগি তার তো
  সই দেবে না দয়াময়।।

মুরশিদের মেহের হলে
খোদার মেহের তারে বলে
হেন মুরশিদ না ভজিলে
তার কি আর আছে উপায়।।

মুরশিদে পথের দাঁড়া
যাবে কোথায় তারে ছাড়া
সিরাজ সাঁই কয় লালন গোড়া
  মুরশিদ ভজলে জানা যায়।।

 

(আরো পড়ূন)

মুর্শিদের মহৎ গুন নেনা বুঝে

মুর্শিদের মহৎ গুন নেনা বুঝে
যার কদম বিনে ধরন করম মিছে।।

যতসব কলেমা কালাম
ধুঁড়িলে মেলে তামাম   কোরান মিছে
তবে কেন পড়া ফাজেল   মুর্শিদ ভজে।।

মুর্শিদ যার আছে নিহার
ধরিতে পারে অধর    সেই অনাসে
মুর্শিদ খোদা ভাবলে জুদা   পড়বি প্যাঁচে।।

আলাদা বস্তু কী ভেদে
কিবা সেই ভেদ মুর্শিদে  জগৎ মাঝে
   সিরাজ সাঁই কয়

         দেখরে লালন  আক্কেল খুঁজে।।

 

(আরো পড়ূন)

দিন থাকতে মুরশিদ রতন চিনে নেনা

দিন থাকতে মুরশিদ রতন চিনে নেনা
এমন সাধের জনম
  বয়ে গেলে আর হবে না।।

মুরশিদ আমার বিষয়াদি
মুরশিদ আমার গুন নিধি
পারে যেতে ভব নদী
   ভরসা ওই চরনখানা।।

কোরানে ছাপ শুনিতে পাই
অলিয়েম মুরশিদ সাঁই
ভেবে বুঝে দেখ মনরায়
   মুরশিদ (হন) কেমন জনা।।

মুরশিদ-বস্ত চিনলে পরে
চিনা যাবে অচেনারে
লালন বলে মরি ঘুরে
  হয়ে যেমন জন্ম-কানা।।

 

(আরো পড়ূন)

ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা

ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা
(ওগো) যার পেয়ালায় হৃদ কমলা
    ক্রমে হবে উজলা।।

নবীজীর খানদানেতে
পেয়ালা চারিমতে
জেনে নাও দিন থাকিতে
   ওরে আমার মন ভোলা।।

কোথা আবহায়াত নদী
ধারা বয় নিরবধি
সেই ধারা ধরবি  যদি[১]
   দেখবি অটলের খেলা।।

এপারে কে অনিল
ওপার কে নেবে বল
লালন কয় তারে ভোল
   কেন রে করে অবহেলা।।

 

(আরো পড়ূন)

মুরশিদ বিনে কি  ধন আর আছে রে মন এ জগতে

মুরশিদ বিনে কি  ধন আর আছে রে মন এ জগতে
যেনামে শরনে হারে তাপিত অঙ্গ শীতল করে
ভববন্ধন ছুটে যায় রে জব ঐ নাম দিবারাতে।।

মুরশিদের চরনের সুধা পান করিলে যাবে ক্ষুধা
কোরনারে দিলে দ্বিধা যেহি মুরশিদ সেহি খোদা
ভজ অলি আল-মুরশিদা আয়াত লেখা কোরানেতে।।

আপনি খোদা আপনি নবী আপনি সেই আদম শফি
অনন্তরূপ করে  ধারন কে বুঝে তার নিরাকরন
নিরাকার হাকিম নিরঞ্জন মুরশিদ রূপ ভজন পথে।।

কুল্লে শাইয়িন মহিদ আরো আলা কুল্লে শাইয়িন কাদির পড়ো
কালাম নেহাজ করো তবে সব জানিতে পার
কেনে লালন ফাঁকে ফেরো ফকিরি নাম পাড়াও মিথ্যে।।

 

(আরো পড়ূন)