চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

দ্বীনের ভাব যেদিন উদয় হবে

 দ্বীনের ভাব যেদিন উদয় হবে
সে দিন মন তোর ঘোর অন্ধকার ঘুচে যাবে
মণিহারা ফণী যেমন, এমনি ভাব রাগের লক্ষণ
   অরুণ বসন ধারন বিভূতি লবে।।

ভাবশূন্য রিদয় মাঝার, মূখে পড় কালাম আল্লার
তাইতে কি মন হবে তারন ভেবেছ এবার
অঙ্গে ধারন কর বেহাল, হৃদে জ্বালো প্রমের মশাল
   দুই নয়ন হইবে উজ্জল মূরশিদ বস্তু দেখতে পাবে।।

হাদিসে লিখেছে প্রমান, আপনারে আপনি জান
কীরূপেসে কোথা থেকে কহিছে জবান
না করলি মন সে সব দিশে, তরিকার মঞ্জিলে বসে
   তিনতে তিন আছে মিশে, মুরশিদ ধরলে জানতে পাবে।।

একের যুত তিনের লক্ষণ, তিনের ঘরে আছে সে ধন
তিনের মর্ম খুঁজিলে পায় সে স্বরূপ দর্শন
সাঁই সিরাজের হক্কের বচন, ভেবে কহে ফকির লালন
   কথায় কি তা অন্বেষণ, রাজি হও মন দীনের ভাবে।।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

(আরো পড়ূন)

এই বেলা তোর ঘরের খবর জেনে নে রে মন

এই বেলা তোর ঘরের খবর জেনে নে রে মন
কেবা জাগে কেবা ঘুমায় কে কারে দেখায় স্বপ্ন।।

শব্দের ঘরে কে বারাম দেয়
নিঃশব্দে কে আছে সদাই
যেদিন হবে মহাপ্রলয়
   কে কার করে দমন।।

দেহের গুরু আছে কেবা
শিষ্য হয়ে কে দেয় সেবা
যেদিন তাই জানতে পাবা
   কোলের ঘোর যাবে তখন।।

যে ঘরামি ঘর বেঁধেছে
কোনখানে সে বসে আছে
সিরাজ সাঁই কয় তাই না খুঁজে
   দিন তো বয়ে যায় লালন।।

(আরো পড়ূন)

খুঁজে ধন পাই কী মতে

খুঁজে ধন পাই কী মতে?
পরের হাতে (ঘরের) কল কাঠি।।

শব্দের ঘরে নিঃশব্দের কুঁড়ে
সদায়  তারা আছে জুড়ে
দিয়ে জীবের নজরে
   ঘোর টাটি।।

আপন ঘরে পরের কারবার
আমি দেখলাম নারে (তার) বাড়ী ঘর
আমি বেহুশ মুটে
   কার মোট খাটি।।

থাকতে রতন আপন ঘরে
একি বেহাদ আজ আমারে
লালন বলেরে মিছে
   ঘর বাটি।।

(আরো পড়ূন)

কোন নামে ডাকিলে তারে হৃদাকাশে উদয় হবে

কোন নামে ডাকিলে তারে হৃদাকাশে উদয় হবে
আপনায় আপনি ফানা হলে সে ভেদ জানা যাবে।।

আরবী ভাষায় বলে আল্লা
ফারসীতে কয় খোদাতা’লা
গড বলেছে যীশুর চ্যালা,
   ভিন্ন দেসে ভিন্ন ভাবে।।

মনের ভাব প্রকাশিতে
ভাষার উদয় এ জগতে
মনাতীত অধরে চিনতে,
   ভাষা বাক্য নাহি পাবে।।

আল্লা হরি ভজন পুজন
সকলই মানুষের সৃজন
অনামক অচিনায় বচন
   বাগেন্দ্রিয় না সম্ভবে।।

(আরো পড়ূন)

একবার জগন্নাথ দেখ যেয়ে

একবার জগন্নাথ দেখ যেয়ে
(জাত কূল) কেমনে রাখবি বাঁচিয়ে।।
চণ্ডালে রাঁধিলে অন্ন ব্রাহ্মণে তা লয় খেয়ে।।

জোলা ছিল কুবীর দাস
তার তুড়ানী বার মাস
উঠিয়ে উথলিয়ে।।
সেই তুড়ানী খায় যে ধনি
   সে আসে দর্শন পেয়ে।।

ধন্য প্রভু জগন্নাথ
চায়না সে জাত  অজাত
(থাকে) ভক্তের অধীন হয়ে
(যতো সব) জাত বিচারি, দূরাচারি
   তারাই যায় সব দূর হয়ে।।

জাত না গেলে পায়না হরি
কি ছার জাতের গৌরব করি
ছুঁস নে বলিয়ে;
লালন বলে জাত হাতে পেলে
   পোড়াতাম অনল দিয়ে।।

(আরো পড়ূন)

কি সন্ধানে আমি যাই সেখানে

কি সন্ধানে আমি যাই সেখানে
মনের মানুষ যেখানে
আঁধার ঘরে জ্বলছে বাতি
   দিবারাতি নাই সেখানে।।

যেতে পথে কাম নদীতে
পাড়ি দিতে তীর বিনে
(কতো) ধনীর ভাড়া যাচ্ছে মারা
   পড়ে নদীর তোর তুফানে।।

রসিক যারা চতুর তারা
তারাই নদীর ধারা চিনে
উজান তরী যাচ্ছে বেয়ে
   তারাই স্বরূপ সাধন জানে।।

লালন বলে ম’লাম জ্বলে
ম’লাম আমি নিশি দিনে
মনের মানুষ স্থূলে রেখে
   দেখাও স্বরূপ নীলাঞ্জনে।।

(আরো পড়ূন)

আর কি হবে এমন জনম

আর কি হবে এমন জনম
বসব সাধুর মেলে।।
হেলায় হেলায় দিন বয়ে যায়
   ঘিরে নিল কালে।।

মানবদলেরই আশায়
কত দেব দেবতা বাঞ্জিত হয়
হেন জনম দীন- দয়াময়
   দিয়েছে কোন ফলে।।

কত কত লক্ষ যোনি
ভ্রমন করেছ তুমি
মানব কুলে মন রে তুমি
   এসে কী করিলে।।

ভুলো না রে মন রসনা
সমঝে কর বেচাকেনা
লালন বলে কুল পাবা না
   এবার ঠকে গেলে।।

(আরো পড়ূন)

(কবে)সাধুর চরন ধুলি(মোর) লাগবে গায়

(কবে)সাধুর চরন ধুলি(মোর) লাগবে গায়
(আমি) বসে আছি আশাসিন্ধু কুলে সদাই।।

চাতক যেমন মেঘের জল বিনে
অহর্নিশি চেয়ে থাকে মেঘ ধেয়ানে
(ও সে) তৃষ্ণায় মৃত্যুর গতি জীবনে (হোল)
   সে দশা আমার।।

ভজন সাধন আমাতে নাই
কেবল মহৎ নামের দেই গে দোহাই
(তোমার) নামের মহিমা জানাও গো সাঁই
   পাপীর  হও সদয়।।

শুনেছি সাধুর করুনণা
সাধুর চরন পরশিলে হয়গো সোনা
বুঝি আমার ভাগ্যে তাও হোলনা ফকির
   লালন কেঁদে কয়।।

 

(আরো পড়ূন)

আশাসিন্ধুতীরে বসে আছি সদায়

আশাসিন্ধুতীরে বসে আছি সদায়
সাধুর যুগল চরণধুলি
   লাগবে কি এই পাপীর গায়।।

ভালোর ভাগী অনেক জনা
মন্দের ভাগী কেউতো হয় না
কেবল সাধু দয়াবান, সবারই সমান
   তাইতো দোহাই দেই তোমায়।।

সাধু না লইবে তারে
কে আর লইবে তারে
তুমি জানাও মহিমা, কর পাপ ক্ষমা
   এই পাপীর হও সদায়।।

দিনের দিন ফুরায়ে এলো
মহাকালে ঘিরে নিলো
বলে মূঢ় লালন, হীন হয়েছি ভজন
   না জানি মোর ভাগ্যে কি হয়।।

 

(আরো পড়ূন)

আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে

আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে
না জানি কোন সময় কি দশা ঘটে আমারে।।

সাধুর বাজারে কি আনন্দময়
অমাবস্যায় পুর্ন-চন্দ্র উদয়
আছে ভক্তির নয়ন যার, সে চাঁদ দৃষ্ট তার
   ভব বন্ধন জ্বালা যায় গো দূরে।।

দেবের দুর্লভ পদ সে
সাধু নামটি যাহার শস্ত্রে ভাসে
(আছে) পতিত পাবনী গঙ্গাজননী
   সেও  তো সাধুর চরন বাঞ্জা করে।।

দাসের দাস তার দাস যোগ্য নয়
কি ভাগ্যেতে এলাম সাধুর সাধ-সভায়
লালন বলে মোর,  ভক্তিহীন অন্তর
   আবার বুঝি পড়ি কদাচারে।।

(আরো পড়ূন)

পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে

পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে
দেখ দেখ মনরায় হইয়াছে উদয়
   কি আনন্দময়  এই সাধ বাজারে।।

সাধু গুরুর যে মহিমা
বেদে দিতে নারে সিমা,
হেন পদে যার নিষ্ঠা নাহি হয় তার
   না জানি কপালে কি আছেরে।।

সাধুর বাতাসে  রে মন
বনে কাষ্ঠ হয়রে চন্দন,
হেন সাধ সভায়  এনে মন আমায়
   আবার যেন ফেরে ফেলিস না রে।।

যথারে সাধুর বাজার
তথা সাঁইর বারাম নিরন্তর,
লালন বলে মন খোঁজ কী আর ধন
   সাধু সঙ্গ রঙ্গে দেশ করো রে।।

 

(আরো পড়ূন)

সাধুসঙ্গ কর তত্ত্ব জেনে

সাধুসঙ্গ কর তত্ত্ব জেনে।
সাধন হবে না অনুমানে।।

সাধুসঙ্গ কর রে মন
অনর্থ হবে বিবর্তন
ব্রহ্মজ্ঞান ইন্দ্রিয় দমন
   হবে রে সঙ্গগুণে।।

নবদ্বীপে পঞ্চতত্ত্ব
ও তার স্বরূপে রূপ আছে বত্ত্ব
ভজিনে যদি হয় গো সত্য
   গুরু ধরে নেও গে জেনে।।

আদ্য যদি সঙ্গ করে কোন ভাগ্যবানেৰ
সেই তো দেখছে লীলা বর্তমানে
সিরাজ সাঁই কয় লালন যাস নে অনুমানে
   সেই শ্রীবাস অঙ্গনে।।

(আরো পড়ূন)

মন তুই করলি একি ইতরপানা মন তুই করলি একি ইতরপানা

মন তুই করলি একি ইতরপানা
দুগ্ধেতে যেমনরে তোর মিশল চনা।।

শুদ্ধরাগে থাকতে যদি
হাতে পেতে অটল নিধি
বলি মন তাই নিরবধি
   বাগ মানে না।।

কি বৈদিকে ঘিরলো হৃদয়
হলনা সু-রাগের উদয়
নয়ন থাকিতে সদায়
   হলি রে কানা।।

বাপের ধন খেল সাপে
জ্ঞান চক্ষু নাই দেখবি কারে
লালন বলে হিসাব কালে
   যাবে জানা।।

(আরো পড়ূন)

কি করি কোন পথে যাই কি করি কোন পথে যাই

কি করি কোন পথে যাই
   মনে কিছু ঠিক পড়েনা
দোটানাতে ভাবছি বসে ওই ভাবনা।।

কেউ বলে মক্কায় যেয়ে    হজ্ব করিয়ে
   যাবে গুণাহ
কেউ বলে মানুষ ভজে
   মানুষ হ’ না।।

কেউ বলে  পড়লে কালাম  পায় সে আরাম
   ভেস্তখানা,
কেউ বলে ও সুখের ঠাঁই
   কায়েম রয় না।।

কেউ বলে মুর্শিদের ঠাঁই   খুঁজিলে পায়
   আদি ঠিকানা,
লালন ভেড়ো তাই না ভুঝে
   হয় দোটানা।।

(আরো পড়ূন)

তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন

 তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন।
আমি ছিলাম সুখে উর্ধ্ব দেশে
   অধে এনে করলে আমায় হীন।।

তুমি মাতা তুমি পিতা
তুমি হও জ্ঞানদাতা
তুমি চক্ষু দান দিয়ে
   দেখাও আমায় শুভদিন।।

আমি গুরুর করবো ভজন
তাতে বাদী হলো ছয়জন
ও সেই দশে-ছয়ে ষোলআনা
   হলো না মোর সেইদিন।।

ভক্তি নইলে কি মন
গুরুচরন হয় শরন
অধীন লালন ভেবে কয়
   কেমনে শুধিব গুরুঋন।।

(আরো পড়ূন)

যাতে যায় শমন যন্তনা ভ্রমে ভুলো না

যাতে যায় শমন যন্তনা ভ্রমে ভুলো না ।[১]
গুরুর শীতল চরন ভুল না।।

বেদ বৈদিকের ভোলে ভুলি
গুরু ছেড়ে গৌর বলি
মনের ভ্রম এ সকলি
   শেষে যাবে রে জানা।।

চৈতন্য আজব সুরে
থেকে নিকট দেখায় দূরে
গুরুরূপ আশ্রিত করে
   কর রূপের ঠিকানা।।

জগৎ জীবের দ্বারায়
নিজরূপ সম্বব তো নয়
লালন বলে তাইতো গো সাঁই
   দেখায় স্বরূপে রূপ-নিশানা।।

(আরো পড়ূন)

মুরশিদের ঠাঁই নে না রে তার ভেদ বুঝে

মুরশিদের ঠাঁই নে না রে তার ভেদ বুঝে
এ দুনিয়ার সিনায় সিনায় কী ভেদ নবী বিলায়েছেন।।

নেকতন বান্দারা যত
ভেদ পেলে আউলিয়া হোত
নাদানেরা শূল চাঁচিত
  মনসুর তার সাবুদ আছে।

সিনার ভেদ সিনায় সিনায়
সফিনার ভেদ সফিনায়
যে পথে যার মন হোল ভাই
  সেই সেভাবে দাঁড়িয়েছে।।

কুতর্ক আর কুস্বভাবী
তারে ভেদ বলে নাই নবী
ভেদের ঘরে দিয়ে চাবি।।
  শরমতে বুঝায়েছে।।

তফসির হোসাইনি যার নাম
তাঁই ধুঁড়ে মসনবি কালাম
ভেদ-ইশারায় লেখা তামাম
    লালন বলে নাই নিজে।।

(আরো পড়ূন)

মুরশিদকে মানিলে খোদার মান্য হয়

মুরশিদকে মানিলে খোদার মান্য হয়।
সন্দ যদি হয় কাহারো কোরান দেখলে মিটে যায়।।

দেখ বেমুরিদ যত
শয়তানের অনুগত
এবাদত বন্দেগি তার তো
  সই দেবে না দয়াময়।।

মুরশিদের মেহের হলে
খোদার মেহের তারে বলে
হেন মুরশিদ না ভজিলে
তার কি আর আছে উপায়।।

মুরশিদে পথের দাঁড়া
যাবে কোথায় তারে ছাড়া
সিরাজ সাঁই কয় লালন গোড়া
  মুরশিদ ভজলে জানা যায়।।

 

(আরো পড়ূন)

মুর্শিদের মহৎ গুন নেনা বুঝে

মুর্শিদের মহৎ গুন নেনা বুঝে
যার কদম বিনে ধরন করম মিছে।।

যতসব কলেমা কালাম
ধুঁড়িলে মেলে তামাম   কোরান মিছে
তবে কেন পড়া ফাজেল   মুর্শিদ ভজে।।

মুর্শিদ যার আছে নিহার
ধরিতে পারে অধর    সেই অনাসে
মুর্শিদ খোদা ভাবলে জুদা   পড়বি প্যাঁচে।।

আলাদা বস্তু কী ভেদে
কিবা সেই ভেদ মুর্শিদে  জগৎ মাঝে
   সিরাজ সাঁই কয়

         দেখরে লালন  আক্কেল খুঁজে।।

 

(আরো পড়ূন)

দিন থাকতে মুরশিদ রতন চিনে নেনা

দিন থাকতে মুরশিদ রতন চিনে নেনা
এমন সাধের জনম
  বয়ে গেলে আর হবে না।।

মুরশিদ আমার বিষয়াদি
মুরশিদ আমার গুন নিধি
পারে যেতে ভব নদী
   ভরসা ওই চরনখানা।।

কোরানে ছাপ শুনিতে পাই
অলিয়েম মুরশিদ সাঁই
ভেবে বুঝে দেখ মনরায়
   মুরশিদ (হন) কেমন জনা।।

মুরশিদ-বস্ত চিনলে পরে
চিনা যাবে অচেনারে
লালন বলে মরি ঘুরে
  হয়ে যেমন জন্ম-কানা।।

 

(আরো পড়ূন)

ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা

ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা
(ওগো) যার পেয়ালায় হৃদ কমলা
    ক্রমে হবে উজলা।।

নবীজীর খানদানেতে
পেয়ালা চারিমতে
জেনে নাও দিন থাকিতে
   ওরে আমার মন ভোলা।।

কোথা আবহায়াত নদী
ধারা বয় নিরবধি
সেই ধারা ধরবি  যদি[১]
   দেখবি অটলের খেলা।।

এপারে কে অনিল
ওপার কে নেবে বল
লালন কয় তারে ভোল
   কেন রে করে অবহেলা।।

 

(আরো পড়ূন)

মুরশিদ বিনে কি  ধন আর আছে রে মন এ জগতে

মুরশিদ বিনে কি  ধন আর আছে রে মন এ জগতে
যেনামে শরনে হারে তাপিত অঙ্গ শীতল করে
ভববন্ধন ছুটে যায় রে জব ঐ নাম দিবারাতে।।

মুরশিদের চরনের সুধা পান করিলে যাবে ক্ষুধা
কোরনারে দিলে দ্বিধা যেহি মুরশিদ সেহি খোদা
ভজ অলি আল-মুরশিদা আয়াত লেখা কোরানেতে।।

আপনি খোদা আপনি নবী আপনি সেই আদম শফি
অনন্তরূপ করে  ধারন কে বুঝে তার নিরাকরন
নিরাকার হাকিম নিরঞ্জন মুরশিদ রূপ ভজন পথে।।

কুল্লে শাইয়িন মহিদ আরো আলা কুল্লে শাইয়িন কাদির পড়ো
কালাম নেহাজ করো তবে সব জানিতে পার
কেনে লালন ফাঁকে ফেরো ফকিরি নাম পাড়াও মিথ্যে।।

 

(আরো পড়ূন)