চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

ধরাতে সাঁই সৃষ্টি করে

ধরাতে সাঁই সৃষ্টি করে
আছে নিগুমে বসে
কি দেবো তুলনা তারে
     তার তুলনা সে ।।

স্ত্রীলিঙ্গ পুংলিঙ্গ নপুংসক
এ তিন ভেবে না হবে ভাবুক
ত্রিভুবন যাঁর লোমকূপে তাঁর
     করো দিশে ।।

কি রূপে নিরাকার হলো
ডিম্বরূপে কে ভাসিল
সে অন্বেষণ জানে যেজন
     যায় সে দেশে ।।

বেদ পড়ে ভেদ পেত যদি সবে
গুরুর গৌরব থাকতো না ভবে
দরবেশ সিরাজ সাঁই কয় দেখরে লালন
     কি হয় কিসে ।।

(আরো পড়ূন)

জীব মরে জীব যায় জীবান্তরে

জীব মরে জীব যায় জীবান্তরে
জীবের গতি মুক্তি রয় ভক্তির দ্বারে।।

রাম নারায়ন গৌর হরি
ঈশ্বর যদি গণ্য করি
তারাও সব গর্ভধারি
     জীবের ভার দিই কারে ।।

যারে তারে ঈশ্বর বলা
বুদ্ধি নাই তার অর্ধ তোলা
ঈশ্বরের নাই যমের জ্বালা
     তাই ভাবি মনের দ্বারে ।।

ত্রিজগতের মূলাধার সাঁই
জন্ম মৃত্যু তার কিছুই নাই
লালন বলে জানে সবাই
তবু ঘোর ধাঁধায় ঘোরে ।।

(আরো পড়ূন)

খেলছে মানুষ নীরে ক্ষীরে ক্ষীরে

খেলছে মানুষ নীরে ক্ষীরে ক্ষীরে,
আপন আপন ঘর খোঁজ
     কেন হাতড়ে বেড়াও কালের ঘোরে।।

নীরসিন্ধু গভীর অতিকায়
ডুবলে কত আজব কাণ্ড দেখা যায়
নীরের ভাণ্ড, পুরা ব্রহ্মাণ্ড
     কাণ্ড বলতে নয়ন ঝরে।।

শূন্যদেশে হয় মেঘের উদয়
নীরদ বিন্দু বারি বরিষণ তায়
ফলছে কত ফল, রঙ বেরঙের হল
আজব কুদরতি ফল ভাবের ঘরে।।

ইন্দ্র ডঙ্কা নাহি সে রাজ্যে
সহজ মানুষ ফেরে সহজে
সিরাজ সাইর বচন, মিথ্যা নয় লালন
     ডুব দিয়ে দেখ স্বরূপ দ্বারে।।




 

(আরো পড়ূন)

দেখনারে ভাব নগরে

দেখনারে ভাব নগরে
ভাবের ঘরে ভাবের কিস্তি
     তার ভিতরে জ্বলছে বাতি।।

ভাবের মানুষ ভাবের খেলা
ভাবে বসে দেখ নিরালা,
     নীরে ক্ষীরে রয় জ্যোতি।।

জ্যোতিতে রতির উদয়
সামান্যে কি তাই জানা যায়,
তাতে কত রূপ দেখা যায়
     যার লাগে মতি।।

যখন নিঃশব্দেরে খাবে
ভবের খেলা ভেঙ্গে যাবে,
  লালন কয় দেখবি ফিরে কি গতি।।

 

(আরো পড়ূন)

আল্লাহ্ কে বোঝে তোমার অপার লীলে

আল্লাহ্ কে বোঝে তোমার অপার লীলে
তুমি আপনি আল্লাহ ডাকো 'আল্লাহ্' বলে।

নীরাকারে তুমি নূরী
ছিলে ডিম্ব অবতারী
সাকারে সৃজন করলে ত্রিভুবন
     নিরাকারে চমৎকার ভাব দেখালে।।

নিরাকার নিগম্ভু ধ্বনি
তাইতো সত্য সবাই মানি
তুমি আগমের ফুল নিগমে রসূল
     আদমের ক্বালেবে জান হইলে।।

আত্মতত্ত্ব জানে যা'রা
নিগূঢ় লীলা দেখছে তা'রা
নীরে নিরঞ্জন অকহিতব্য ধন
     লালন খুঁজে ফিরে বন-জঙ্গলে।।

 

(আরো পড়ূন)