চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিক শ্রেণির রাজনীতি (২)

তোবা গার্মেন্টের অভিজ্ঞতা সামনে রেখে শ্রমিক আন্দোলন প্রসঙ্গে সাধারণ ভাবে বাংলাদেশের বামপন্থিদের নীতি ও কৌশল সম্পর্কে এখানে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। বিশেষত শ্রমিক শ্রেণির অর্থনৈতিক স্বার্থ আর শ্রমিক শ্রেণির রাজনীতির পার্থক্য সম্পর্কে। একটি হোল শ্রমিকদের অর্থনৈতিক দাবি দাওয়া আদায়ের লড়াই আর অন্যটি পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্ক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে সমাজ ও ইতিহাসের রূপান্তর ঘটানোর রাজনৈতিক-দার্শনিক প্রকল্প ও তৎপরতা। শেষেরটি কমিউনিস্ট রাজনীতি হিসাবেও পরিচিত। দুইয়ের ক্ষেত্রে ‘শ্রমিক’ কথাটা থাকলেও, দুটো ভিন্ন বিষয়। অর্থনৈতিক শ্রেণি হিসাবে ‘শ্রমিক’ এবং পুঁজিতান্ত্রিক সম্পর্ক ও ব্যবস্থা বদলে দিয়ে নতুন ধরণের সম্পর্ক চর্চার বিদ্যা (আরো পড়ূন)

শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিক শ্রেণির রাজনীতি (১)

তোবা গার্মেন্ট কেন্দ্র করে শ্রমিকদের আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি পূর্ণ সমর্থন করে সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তরে একটি লেখা লিখেছিলাম 'দেখুন অভিযুক্ত গার্মেন্ট মালিকের জামিন বনাম শ্রমিক আন্দোলন, ১০ অগাস্ট ২০১৪)।  তোবা গার্মেন্টের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন, ওভারটাইম ও বোনাসের অর্থনৈতিক দাবি আদায় করে নেবার জন্য যারা তোবা বিল্ডিং-এ অনশনের কর্মসূচি সফল করেছিলেন, তাদের কৌশল সঠিক কি বেঠিক তা নিয়ে একটি তর্ক উঠেছে। এই ক্ষেত্রে বামপন্থিদলগুলোর মধ্যে ঐক্য বেড়েছে, নাকি অনৈক্যের সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়েও কিছু কথা উঠেছে। আমি মনে করি সুনির্দিষ্ট ভাবে তোবা গার্মেন্টের শ্রমিক (আরো পড়ূন)

পোষাক খাতে মজুরি ও মুনাফা

ন্যূনতম মজুরি পাঁচ হাজার টাকা হলে কি রফতানিমুখি পোশাক খাত বন্ধ হয়ে যাবে?

তীব্র শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে সরকার তৈরি পোশাক খাতের শ্রমের ন্যূনতম মজুরি নতুন করে নির্ধারণ করেছে। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশের মুদ্রার মান ও দ্রব্যমূল্যের বিচারে এ তিন হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির ফলে শ্রমিকরা দারিদ্র্যসীমার অনেক নিচে থেকে জীবন ধারণ করতে বাধ্য হবে। এ খাতের মালিকরা বলছেন, শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী যদি ন্যূনতম মজুরি পাঁচ হাজার টাকা করা হয় তবে দেশের তৈরি পোশাক খাত বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু তৈরি পোশাকের আন্তর্জাতিক বাজার, সেই বাজারে বাংলাদেশের (আরো পড়ূন)

শ্রম দিবস, নারী দিবস ও পোশাক শিল্পে নারী শ্রমকি

আজ পহেলা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। আবার কিছূদিন আগে ঘটা করে পালিত হয়েছে ৮ই মার্চ- আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শতবর্ষ পূর্তি। মে দিবস পালনে বিশেষ জোর না থাকলেও নারী দিবস পালনে রাষ্ট্রীয়ভাবে যেমন বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল তেমনি সমানগুরুত্ব পেয়েছে দেশের উন্নয়ন সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা, নারী সংগঠন, রাজনৈতিক দল সমূহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কাছে।

এবারের নারী দিবসের শতবর্ষে সমঅধিকার ও সমসুযোগ প্রতিষ্ঠায় নারী হোক রাজনীতির সমঅংশিদার, শ্লোগানটি সামনে রাখা হয়েছে। তারপরও অনেক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নারীর উপর সহিংসতার নানা মাত্রা প্রধানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। বিষয়বস্তু হিশাবে এসব সংস্থা শতকরা কতোভাগ নারী পারিবারিক জীবনে স্বামী অথবা (আরো পড়ূন)