চিন্তা


চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

(কবে)সাধুর চরন ধুলি(মোর) লাগবে গায়

(কবে)সাধুর চরন ধুলি(মোর) লাগবে গায়
(আমি) বসে আছি আশাসিন্ধু কুলে সদাই।।

চাতক যেমন মেঘের জল বিনে
অহর্নিশি চেয়ে থাকে মেঘ ধেয়ানে
(ও সে) তৃষ্ণায় মৃত্যুর গতি জীবনে (হোল)
   সে দশা আমার।।

ভজন সাধন আমাতে নাই
কেবল মহৎ নামের দেই গে দোহাই
(তোমার) নামের মহিমা জানাও গো সাঁই
   পাপীর  হও সদয়।।

শুনেছি সাধুর করুনণা
সাধুর চরন পরশিলে হয়গো সোনা
বুঝি আমার ভাগ্যে তাও হোলনা ফকির
   লালন কেঁদে কয়।।

 

(আরো পড়ূন)

দয়াল  নিতাই কারো ফেলে যাবে না

দয়াল  নিতাই কারো ফেলে যাবে না
  ধর চরণ ছেড় না ।।

দৃঢ় বিশ্বাস করেরে মন
ধর নিতাই চাঁদের চরণ
এবার পার হবি পার হবি তুফান
  এপারে কেউ থাকবে না।।

হরি নাম তরনী লয়ে
ফিরছে নিতাই নেয়ে হয়ে
এমন দয়াল চাঁদকে পেয়ে
  শরন কেন নিলে না।।

কলির জীবকে হয়ে সদায়
পারে যেতে ডাকছে নিতাই
অধীন লালন বলে মন চল যাই
  এমন দয়াল মিলবে না।।

 

(আরো পড়ূন)

চরণ পাই যেন কালাকালে

চরণ পাই যেন কালাকালে
   ফেলো না দূর-অধ্ম বলে।।

সাধলে পাবো চরন তোমার
সে-ক্ষমতা নাই গো আমার
দয়াল নাম শুনিয়ে আশায়
   চেয়ে আছি কাঙ্গালে।।

জগাই মাধাই পাপী ছিল
কাঁধা ফেলে গায়ে মারিল
তাহে প্রভুর দয়া হলো
  দয়া কর সেই হালে।।

ভারত-পুরাণেতে শুনি
পতিত পাবন নামের ধ্বনি
(ফকির) লালন বলে সত্য জানি
   অধীনে চরন দিলে।।

 

(আরো পড়ূন)

এমন সুভাগ্য আমার কবে হবে

এমন সুভাগ্য [১] আমার কবে হবে
দয়াল চাদঁ আসিয়ে আমায়
    পার করিবে।।

সাধনের বল আমার কিছুই নাই
কেমনে সে পারে যাই
কূলে বসে দিচ্ছি দোহাই
    অপার ভেবে।।

পতিত পাবন নামটি তার
তাই শুনে বল হয় আমার
আবার ভাবি এই পাপীর ভার
   সেকি ল'বে।।

গুরুপদে ভক্তিহীন
হয়ে রইলাম চিরদিন
লালন বলে কী করিতে
  এলাম ভবে।।

(আরো পড়ূন)

গুরু, সুভাব দাও আমার মনে

গুরু, সুভাব দাও আমার মনে
রাঙা চরণ যেন ভুলিনে।।

গুরু, তুমি নিদয় যার প্রতি
ও তার সদাই ঘটে কুমতি
তুমি মনোরথের সারথী
     যথা নাও যাই সেইখানে।।

গুরু, তুমি তন্ত্রের তন্তরী
গুরু, তুমি মন্ত্রের মন্তরী
গুরু, তুমি যন্ত্রের যন্তরী
     না বাজাও তো বাজবে কেনে।।

আমার জন্ম-অন্ধ মন –নয়ন
তুমি বৌদ্ধ সচেতন
চরন দেখবো আশায় কয় লালন
      জ্ঞান অঞ্জন দাও নয়নে।।

 

(আরো পড়ূন)