চিন্তা

চিন্তা ও তৎপরতার পত্রিকা

সাম্প্রতিক লেখা


গণতন্ত্রের সংকট: উত্তরণের উপায়

গত ২৫ ডিসেম্বর (২০২১) প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফিউজে) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের সংকট শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ হিশাবে লেখাটির সারসংক্ষেপ পেশ করেছি। কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনাও করেছি। পুরা নিবন্ধটি এখানে পেশ করা হোল।  বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এবং এখনকার সুনির্দিষ্ট কর্তব্যের আলোকে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের সংকট নিয়ে কিছু কথা বলবার জন্য এই খসড়া। উদ্দেশ্য হচ্ছে কিছু বিষয় কেন্দ্র করে আলোচনার সুত্রপাত ঘটানো। আমি মতবাদী নই, অর্থাৎ আগাম নির্ধারিত বদ্ধমূল মতের বোঝা বেড়ানো আমার ধাতে নাই। অতএব এখানে উদ্দেশ্য হবে চিন্তা উসকে দেওয়া, যেন আমরা ব  (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

অন্যান্য লেখা

কোভিড-১৯


২০. করোনাভাইরাস, জীবানু মারণাস্ত্র এবং বৈশ্বিক নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ

কোভিড-১৯ ভাইরাসকে বলা হচ্ছে ‘নোভেল’, মানে এই ভাইরাস আগে শনাক্ত হয় নি, কিম্বা আগে ছিল না। এর আগে কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বের মানুষ মোকাবিলা করে নি। এই ভাইরাস সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানও অপ্রতুল; বিশেষত সংক্রমণ বিস্তারের চরিত্র এবং সম্ভাব্য চিকিৎসার তথ্য। ফলে মহামারী মোকাবিলার পরিকল্পনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনুমানের ওপর নির্ভর করে নির্ণয় করা হয়েছে। অল্প কিছু ধনি দেশ অর্থনীতি, সামরিক শক্তি এবং বিজ্ঞানের ওপর দখলদারির কারনে দরকারি গবেষণা করতে পারছে, তারা প্রতিদিন নিজের এবং অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা যাচাই বাছাই করতে সক্ষম। তারা নতুন তথ্য ও গবেষণার ভিত্তিতে মহামারি মোকাবিলা পরিকল্পনায় অদল-বদল ঘটাচ্ছে, পদ্ধতির সংস্কার করছে কিম্বা বদলাচ্ছে। বিতর্
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--
covid-19

সাম্প্রতিক রাজনীতি


২. বেগম খালেদা জিয়া এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

একটি দৃশ্যমান হত্যা প্রক্রিয়ায় কিভাবে আমরা সকলে শামিল হই সেটাই আমার আলোচনার বিষয়। সুনির্দিষ্ট ভাবে ফ্যাসিবাদকে শনাক্ত করতে হলে বুঝতে হবে ফ্যাসিবাদ একনায়কতন্ত্র নয়। ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আমাদের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্কে্র ধরণ একনায়কতন্ত্র থেকে আলাদা। আমাদের মন ও বুদ্ধির জগতে ফ্যাসিবাদ কিভাবে কাজ করে সেটাই এখানে বুঝবার এবং বোঝাবার চেষ্টা করছি।আজকাল অনেকে বাংলাদেশের বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থাকে 'ফ্যাসিস্ট' বলতে চায় না। মনে হয় তারা খুব শরমিন্দা বোধ করেন। এর একটা কারণ হতে পারে 'ফ্যাসিবাদ', 'ফ্যাসিস্ট' বা ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থা কিছুটা ক্লিশে শব্দ হয়ে গিয়েছে, যা্র কারনে তারা মনে করেন এই শব্দগুলো বিশেষ কোন অর্থ বহন করে না। বলাবা (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--
BtBringel

গণতন্ত্র ও গঠনতন্ত্র


গণতন্ত্রের সংকট: উত্তরণের উপায়

গত ২৫ ডিসেম্বর (২০২১) প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফিউজে) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের সংকট শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ হিশাবে লেখাটির সারসংক্ষেপ পেশ করেছি। কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনাও করেছি। পুরা নিবন্ধটি এখানে পেশ করা হোল।  বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এবং এখনকার সুনির্দিষ্ট কর্তব্যের আলোকে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের সংকট নিয়ে কিছু কথা বলবার জন্য এই খসড়া। উদ্দেশ্য হচ্ছে কিছু বিষয় কেন্দ্র করে আলোচনার সুত্রপাত ঘটানো। আমি মতবাদী নই, অর্থাৎ আগাম নির্ধারিত বদ্ধমূল মতের বোঝা বেড়ানো আমার ধাতে নাই। অতএব এখানে উদ্দেশ্য হবে চিন্তা উসকে দেওয়া, যেন আমরা বদ্ধমূল চিন্তার খোপ থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ভ
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--
ধান ও ধানের গবেষণা

আদালত, বিচার ও ইনসাফ


কমরেড ও প্রগতিশীল ভাইবোনেরা, দৌড়ান!!

এক জায়গা থেকে সরিয়ে শাড়ি পরা দেবি থেমিসকে আবারও আদালত প্রাঙ্গনে পুনর্স্থাপন করা হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, ‘গ্রিক দেবী থেমিসের এই প্রতীককে চিরতরে পরিত্যাগ করতে হবে”। কারন হিসাবে বলেছেন, শাড়ী পরা দেবি থেমিসকে ‘জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে’ স্থাপন করা হয়েছে। আদালত প্রাঙ্গনে শাড়ি পরা থেমিসের মূর্তি কোন প্রত্নতাত্ত্বিক বা ঐতিহাসিক ভাস্কর্য নয় যে একে রক্ষা করবার কোন প্রত্নতাত্ত্বিক কিম্বা ঐতিহাসিক যুক্তি আছে। আদালত প্রাঙ্গনে এই প্রকার কোন দেবিমূর্তি বসাবার কোন ইচ্ছা বাংলাদেশের জনগণ ব্যক্ত করে নি। জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের বিরোধী এই দেবিকে বাংলাদেশের কোথাও স্থান দেয়া যাবে না। ‘গণমানুষের সকল (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--
প্রাণ, প্রাণবৈচিত্র ও ব্যবস্থাপনা

শাপলা ও শাহবাগ


হেফাজতের ১৩ দফা এবং মধ্যযুগ বিতর্ক

এক হেফাজতে ইসলাম এপ্রিলের ৬ তারিখে ঢাকা শহরে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে প্রশাসনের সঙ্গে ওয়াদা অনুযায়ী ঠিক ঠিক পাঁচটার সময় শেষ করে ফিরে গেছেন। ঢাকা শহরের মানুষ শাপলা চত্বরে এতো আলেম ওলামাদের একসাথে কখনো দেখে নি, তারা বিস্মিত। কত মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তা নিয়ে সঠিকভাবে কোন পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও সংখ্যাটা তাক লাগিয়ে দেয়ার মতোই ছিল। হেফাজতের এই লং মার্চ যেন না হতে পারে তার জন্য সরকার নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল; ঢাকাগামী সকল প্রকার যানবাহন বন্ধ করার পরও এতো মানুষ কি করে ঢাকায় এলো তা বিস্ময়ের ব্যাপার বটে। হেফাজতের এই কর্মসুচী শেষ হয়েছে, তাঁরা নিজ নি
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--
শাপলা ও শাহবাগ

সাম্প্রদায়িকতা, জাতীয়তাবাদ ও রাষ্ট্


বাঙালিত্ব ও হিন্দুত্ববাদ: ইতিহাসের ক্ষত ও তার মীমাংসা

[গত ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কবি রওশন আরা মুক্তা এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন। ‘সাম্প্রতিক দেশকাল’-এর জন্য। 'বাঙালি জাতিবোধ ও চেতনার মধ্যে এখনো উচ্চবর্ণের হিন্দুর ধ্যানধারণাই রয়ে গিয়েছে' -- এই শিরোনামে সংক্ষেপে ছাপাও হয়েছিল। এখন পুরাটা অল্পকিছু সংশোধন ও পরিমার্জন করে সাক্ষাৎকারটি আবার এখানে পেশ করা হোল।] কেমন আছেন? বছর ঘুরে আবার শুরু হলো অমর একুশে বইমেলা, জাতীয় জীবনে এই মেলার তাৎপর্য কী বলে মনে হয় আপনার? জাতি হিসেবে আমরা কোনো ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী নই, ফলে অমর একুশে বইম (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--
প্রাণ, প্রাণবৈচিত্র ও ব্যবস্থাপনা

মানবাধিকার ও গণতন্ত্র


স্বাধীন সাংবাদিকতা

[এক]আজ মে মাসের ৩ তারিখ। ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ বা বিশ্বব্যাপী স্বাধীন সাংবাদিকতা চর্চা দিবস। সংবাদপত্র যেন রাষ্ট্রের রক্তচক্ষুকে ভয় না পায় কিম্বা মাফিয়ায়দের গোলাম না হয় সেটা মনে করিয়ে দেবার দিবস। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) ২০২১ সালের ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম সূচকে বাংলাদেশ খালি পেছাচ্ছে তো পেছাতেই আছে। বাংলাদেশ ২০১৯ সাল থেকে এক ধাপ করে পিছিয়েছে। দুই হাজার উনিশে বাংলাদেশের অবস্থান সূচক ছিল ১৫১, দুই হাজার একুশ সালে ১৫২। পাকিস্তান উপরে,  ১৪৫; অর্থাৎ বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা উত্তম। পাকিস্তানের সঙ্গে ইন্ডিয়া্র সঙ্গে বিরা
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--
ধান ও ধানের গবেষণা

সৈনিকতা ও গণপ্রতিরক্ষা


রাজনৈতিক অসুখের ‘চিহ্ন’ ও তাৎপর্য

 বাংলাভাষায় ‘লক্ষণ’ কথাটা আমরা ইংরেজি ‘সিম্পটম’ অনুবাদ করতে গিয়ে ব্যবহার করি। গ্রিক symptomat বা symptoma থেকে ল্যাটিন হয়ে  ইংরেজিতে সিম্পটম। এর অর্থ কোন দুর্ঘটনা, দুরবস্থা বা দুর্দশায় পতিত হওয়া – যার ঘটেছে তিনি সেটা উপলব্ধি করেন। এটা সাবজেক্টিভ – অর্থাৎ ব্যাক্তির বোধ, উপলব্ধি অনুভব ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত। ডাক্তারি শাস্ত্রে এটি যখন ব্যবহার শুরু হোল তখন এই সাবজেক্টিভ বা ব্যাক্তির উপলব্ধির দিকটার ওপর জোর রইল। রোগের লক্ষণ মানে রোগটা কি সেটা না জানা থাকলেও রোগী নিজে যা উপলব্ধি করেন সেটাই ‘লক্ষণ’। যদি সিম্পটম অনুবাদের ক্ষেত্রে ‘লক্ষণ’ ব্যবহার করতে না চাই, তাহলে (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

ভারত ও আঞ্চলিক রাজনীতি


জম্মু গণহত্যা: স্মৃতির আড়ালে চলে যাওয়া ইতিহাস

কাশ্মীর সমস্যা, কাশ্মীরিদের উপর নির্যাতন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সময় আবশ্যিকভাবেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হত্যা ও বিতাড়নের প্রসঙ্গ উঠে আসে। ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর চলা নির্যাতন এবং কাশ্মীর থেকে তাঁদের বিতাড়ন অবশ্যই ঘৃণিত ও চরম নিন্দনীয়। কিন্তু ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে জম্মুতে সংঘটিত লক্ষ গুণ ভয়াবহ মুসলিম গণহত্যার নৃশংসতা ইতিহাসের আড়ালেই রয়ে যায়, রেখে দেওয়া হয়। পেক্টা সান্ট সারভেন্ডা (Pacta Sunt Servanda) হল আন্তর্জাতিক দেওয়ানি আইনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নীতি। ল্যাটিন ভাষায় লিখিত বাক্যটির মর্মার্থ হল, দুটি পক্ষ একে অপরের সঙ্গে চুক্
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--
ধান ও ধানের গবেষণা

আন্তর্জাতিক রাজনীতি


‘বাচ্চাবাজি’, শরিয়া এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আফগান জনগণের বিজয়

এক এখানে আফগানিস্তান নিয়ে আমরা একটু ভিন্ন ভাবে আলোচনা করব, যেন বাঁধিগৎ তর্কাতর্কি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি। বাঁধিগৎ তর্কাতর্কি নানান ধরনের হতে পারে। যেমন, তালেবানরা হানাদার ও দখলদার মার্কিন বাহিনীর চোখে সন্ত্রাসী বা ‘টেররিস্ট’। তাদের ইসলাম , বিশেষত ‘শরিয়া আইন’ পাশ্চাত্যের লিবারেল বা উদারবাদী চিন্তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ফলে আফগানিস্তানের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে কোন আলোচনা আসলে আফগানিস্তানে কি ঘটছে বা কি ঘটল সেই দিকে নিবিষ্ট না থেকে সেটা ইসলাম ও ‘শরিয়া’ আইন নিয়ে তর্কে পর্যবসিত করা হয়। যার পরিণতি শেষাবধি ইসলামের (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

গোলকায়ন ও বিশ্বব্যবস্থা


কর্পোরেট মিডিয়া ও বহুজাতিক কর্পোরেশান

মাইক্রোবিডকে বাংলায় বলা হয় ‘প্লাস্টিক কণা’ বা ‘প্লাস্টিক দানা’। প্রসাধন দ্রব্যে এটির ব্যবহার হয়ে থাকে। যদিও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণে পশ্চিমা দেশগুলোতে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বছরের জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রে প্লাস্টিক কণার ব্যবহার নিষিদ্ধের বিলে স্বাক্ষর করেন। ফেব্রুয়ারিতে কানাডা এটিকে ‘বিষাক্ত দ্রব্য’ (টক্সিক সাবস্টেন্স) হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর গত সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটেন সরকারও ঘোষণা দেয় ২০১৭ সাল থেকে দেশটিতে প্লাস্টিক কণার ব্যবহার সম্পুর্ণ বন্ধ করে দেয়া হবে। অন্যান্য দেশও একই পথ অনুসরণ করছে। মানব শরীর এবং পরিবেশ উভয়ের জন্য প্লাস্টিক কণার মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছ
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

ফিলিস্তিন ও মধ্যপ্রাচ্য


কেন হামাস রকেট ছোঁড়ে

আরবদের হত্যা করাই ইসরায়েলি নীতি -- সচেতন ইসরায়য়েলি বুদ্ধিজীবিরাই ইসরায়েলি পত্রিকায় এ কথা  লিখছেন, ইতিহাস ও তথ্য ধরে প্রমাণ করছেন। তারপরও জায়নবাদী রাষ্ট্রের সন্ত্রাস বেমালুম চেপে রেখে শুধু মজলুমের প্রতিরোধকে আগবাড়িয়ে সন্ত্রাস বলার মতো সন্ত্রাসীর অভাব নাই বাংলাদেশে। ফিলিস্তিনীরা ধুঁকে ধুঁকে মরতে চায় না, লড়ে শহিদ হওয়া ছাড়া আর কি বিকল্প আছে তাদের? ইসরাইল গাজায় স্থল অভিযান ‘অপারেশান প্রটেকটিভ এজ’ শুরু করেছে জুলাই আট তারিখে। এর আগে ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে ইসরাইল গাজার ওপর বোমা হামলা চালিয়েছিল। আট দিন (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

কৃষক ও কৃষি


দুই: তুখমি রক্ষায় তাজিক নারী

মধ্য এশিয়ার দেশ তাজিকিস্তানে মানুষের সংখ্যা খুব কম, মাত্র ৭৫ লাখ, তাদের দেশের আয়তন ১৪৩,১০০ বর্গ কিলোমিটার। তুলনায় বাংলাদেশের আয়তন ১৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার অথচ জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। অর্থাৎ প্রায় একই সমান আয়তনে তাজিকিস্তানে ১৭ গুন কম মানুষের বাস। শুধু বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরেই প্রায় ২ কোটি মানুষ থাকে। তাজিকিস্তানে উঁচু পর্বত থেকে শুরু করে নিচে সমতল ভূমি – তার মানে এই সব অঞ্চলে যতো রকম ফসলের বৈচিত্র্য পাওয়া যাওয়ার কথা তাদের কাছে সবই ছিল এককালে, এখন অনেক কিছু হারিয়ে গিয়েও আছে। তাজিকিস্তান বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলের অন্যতম, তাই শুষ্ক অঞ্চলের ফসল এখানকার কৃষির প্রধান বৈশিষ্ট্য। তাজিকিস্তান মূলত কৃষি প্রধান দেশ। কিন্তু পাহাড়ি। উঁচু পর
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

শ্রমবিকাশ


সব বাড়ে শ্রমিকের মজুরি বাড়ে না

গ্যাসের দাম বাড়ে, বিদ্যুতের দাম বাড়ে, বাড়ী ভাড়া বাড়ে, শুধু গার্মেন্ট শ্রমিকের মজুরী বাড়ে না। রানা প্লাজায় শ্রমিকদের জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছিল। যদি স্রেফ বেঁচে থাকা আর মজুরির তুলনা করা হয় তাহলে বলতে হয় গার্মেন্ট মালিকরা তিলে তিলে নিত্যদিনই শ্রমিকদের মারে। সে্টা কম ভয়াবহ নয়। রানা প্লাজার পাঁচ বচর পর্যালোচনা করতে এসে শ্রমিক নেতারা এই সময়ের গার্মেন্ট শ্রমিকদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যে মজুরি সেটাই বারবার জোর দিয়ে বললেন। বর্তমানে গার্মেন্ট শ্রমিকরা যে বেতন পায় বাড়ী ভাড়া তার চেয়েও বেশি। দু’বছর আগে শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন যে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে সেটা হলো ৫৩০০ টাকা। এই টাকা থেকে বাড়ি ভাড়া দিতে হচ্ছে চার হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে বা (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

শিক্ষা: দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতি


পাঠ্যবই বিতর্কঃ সকলের কথা শুনতে হবে

শিক্ষা আইন, শিক্ষা নীতি ও পাঠ্যবই নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত ভাবে। পুরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে মাথায় রেখে সেটা হচ্ছে না। সেটা আশাও করি না। কিন্তু এখন দেখছি জাতিবাদি ও ধর্ম নিরপেক্ষ ওয়ালারা চরম গোস্বা করেছে। কেন? কারন সরকার নাকি হেফাজতের দাবি মেনে নিয়েছে। শিক্ষা কোন ব্যাপার না, পাঠ্যবই সম্পর্কে হেফাজতের আপত্তি সরকার মানলো কেন এই হোল তর্ক। টুপিপরা কোর্তাপরা এইসব বর্বর অশিক্ষিত পশ্চাতপদ মানুষ বুঝি মঙ্গলগ্রহ থেকে এসেছে, তারা এই দেশের কেউ না। এদের ছেলেমেয়ে বালবাচ্চা নাই, শিক্ষা নিয়ে এদের কোন মাথাব্যথা নাই। তো এই টুপিওয়ালাদের আপত্তি শেখ হাসিনা শেষমেষ মেনে নিল? হায় হায়। জাতিবাদী ও সেকুলার হাহাকারে চতুর্দিক দীর্ণবিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছে!
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

বিজ্ঞান ও কৃৎকৌশল


ভবে মানুষগুরু নিষ্ঠা যার সর্বসাধন সিদ্ধ হয় তার

ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যারসর্ব সাধন সিদ্ধ হয় তার  –  ফকির লালন শাহ মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানমনস্কতা, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশে যে ‘বিজ্ঞানবাদিতা’ জারি রয়েছে তার সমালোচনা করে দৈনিক যুগান্তরে ‘বিজ্ঞান চাই, বিজ্ঞানবাদিতা চাই না’ শিরোনামে একটি লেখা লিখেছিলাম। এরপর এ ধরনের লেখা লিখবার জন্য অপরিসীম সাড়া পাই। বিশেষত তাদের কাছ থেকে যারা বয়সে কম অথচ চিন্তা করতে ভালবাসে। কোন ‘মত’-কেই যারা বিচার ছাড়া মেনে নিতে রাজি না। স্রেফ মত প্রকাশের অধিকার কিম্বা স্বাধীনতার তর্কের জায়গা থেকে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনত কিম্বা অন্যের কথা বল (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

জীবাশ্ম জ্বালানির অর্থনীতি ও রাজনীতি


রামপাল বন্ধ হোক, কিন্তু রূপপুর? অথবা শেখ হাসিনা আল গোর বিতর্ক

ধরুন, আপনি জানেন আপনি মন্দ কাজ করছেন। তখন কি আপনি ধর্মের কাহিনী শুনবেন? ভাল কাজে স্বর্গবাস, মন্দ কাজে দোজখ – এই সকল কেচ্ছা শুনে আপনার কি লাভ? আপনি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবেন তো করবেনই, তো এতে বাঘ মরল কি গণ্ডার পুড়ল – আপনি কি শুনবেন? না, শুনবেন না। দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামে ক্লাইমেট চেইঞ্জের ‘পাদ্রি’ আল গোর শেখ হাসিনাকে ধর্মকথা শোনাতে চেয়েছিলেন। শেখ হাসিনা শুনলেন না। মুখের ওপর বলে দিলেন, ‘আমি বুঝতে পারি না কয়লা বিদ্যুত প্রকল্প নিয়ে কেন মানুষ কথা বলে ... আমার মনে হয় যারা রামপালে বিরোধিতা করছেন তাদের মানুষের প্রতি দরদ নাই, বরং তারা সুন্দরবন ও রয়েল বেঙ্গল টাইগার নিয়েই বেশী উদ্বিগ্ন’। ম
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি


স্বাস্থ্য, চিকিৎসা এবং উপনিবেশবাদ

অনুবাদকের ভূমিকা: ফ্রাঁনৎস ফাঁনোর জন্ম মার্তিনিক (Martinique)-এর রাজধানী ফোর্ট দে ফ্রান্স (Fort-de-France) শহরে, ১৯২৫ সালের ২০ জুলাই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফাঁনো ফরাসি মুক্তিবাহিনীর কালোসেনাদের ইউনিটে যোগ দেন। যুদ্ধের পর লিয়ন (Lyon)-এ ডাক্তারি পড়তে যান ফাঁনো। সেখানেই মনোবিজ্ঞান ও মানসিক রোগ বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠেন তিনি। লিয়নেই প্রথম তার সাথে স্ত্রী জোসি (Marie-Josephe Duble´Josie)-এর সাথে পরিচয় হয়। সেখানেই তারা বিয়ে করেন। ১৯৫৩ সালে মনোরোগবিদ্যা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি লাভের পর ফাঁনো আলজেরিয়াতে যান। সেখানে থাকেন তিন বছর। এরপর তিউনিস, ঘানা হয়ে চিকিৎসার জন্য সোভিয়েত রাশিয়ায় যান ১৯৬১ সাল (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

নারী প্রশ্ন


ক্লারা জেৎকিন ও আন্তর্জাতিক নারী দিবস

জার্মানির কমিউনিস্ট নেত্রী ক্লারা জেৎকিনের  (৫ জুলাই ১৮৫৭ -- ২০ জুলাই ১৯৩৩) প্রস্তাবে মার্চের ৮ তারিখ 'আন্তর্জাতিক নারী দিবস' হিসেবে ১৯১১ সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে। এটির শুরু আদিতে 'আন্তর্জাতিক নারী শ্রমিক দিবস' হিশাবে। এর পেছনে রয়েছে শতাব্দি জুড়ে শ্রমিক আন্দোলন এবং নারীপুরুষ নির্বিশেষে পুঁজির শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাবার অদম্য তাগিদ। তিনি প্রধানত নারীবাদী হিশাবে এখন অধিক পরিচিত, কিন্তু ক্লারা জেৎকিন ইউরোপে কমিউনিস্ট আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন।  তিনি ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, রুশ বিপ্লবে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। লেনিনের সঙ্গে একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের জন্য তিনি খ্যাত। কমিউনিস্ট আন্দোলনে পুরুষতান্ত্রিক আধ
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

সাহিত্যের সমাজতত্ত্ব ও রাজনীতি


দুই হাতেই তালি বাজুক

পশ্চিম বাংলার সাহিত্যিকদের প্রধান বাজার বাংলাদেশ। সেই দিক থেকে বাংলাদেশের বাজার রক্ষার খাতিরে বাংলাদেশের তোষামোদ করা তাদের জন্য জরুরী। এটা কোন খারাপ অর্থে বলছি না, ভাল অর্থেই বলতে চাইছি। বাজার ব্যবস্থার চরিত্রের কারণেই তোষামোদি দরকার হয়ে পড়ে। বাজার ব্যবস্থার ‘অদৃশ্য হাত’ তার প্রণোদনা। বাংলাদেশের পাঠক বা বই ভোক্তাদের নিজের প্রতি আগ্রহী করে রাখার ওপর পশ্চিম বাংলার লেখকদের বইয়ের বেচাবিক্রি অনেকাংশেই নির্ভর করে। তোষামোদির দরকার সেই কারণেই। বাংলাদেশে পশ্চিম বাংলার লেখকদের গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে নিজের বইয়ের বাজার সুরক্ষার প্রশ্ন জড়িত। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়সহ অনেকেই বাংলাদেশের প্রতি সে কারণে অনেক সদয় মন্তব্য করেছেন। বাজার ব্যবস্থায় তোষামোদি (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

আবার ছাপা


মত প্রকাশের স্বাধীনতা বনাম চিন্তার স্বাধীনতা: একটি তৎপর চিন্তার পত্রিকা দরকার

[এই লেখাটি ৮ অগাস্ট ১৯৯১ সালে চিন্তা প্রথম প্রস্তুতি সংখ্যায় ছাপা হয়েছিল। বাংলাদেশে 'পাক্ষিক চিন্তা'র মতো একটি পত্রিকা বের করার পেছনে কী ধরণের ইচ্ছা কাজ করেছিল তার কিছুটা হদিস এই লেখায় পাওয়া যাবে। সাপ্তাহিক  চিন্তা পাঠচক্রে সম্প্রতি গ্রুপের রাজনৈতিক অবস্থান গুছিয়ে হাজির করবার আলোচনা চলছে। সেই দিকে থেকে এই পুরানা লেখাটি সামনে আনা দরকার। গ্রুপ হিশাবে চিন্তা পাঠচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হচ্ছে সক্রিয় ও সজীব চিন্তাকে 'মত' বা ছকে বাঁধা আদর্শ থেকে আলাদা গণ্য করা। একে আমরা পর্যালোচনা ও মতাদর্শিক বিশ্বাসের পার্থক্য হিশাবেও গণ্য করতে পারি। চিন্তা গ্রুপের স্বাতন্ত্র্য বা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলাদেশে পর্যালোচনার  (Critique) সামর্থ্য গড়ে
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

চিন্তা পুরানা সংখ্যা


সাক্ষাৎকার


‘এখনকার তরুণরা তাদের সময়ে বাস করে না’

‘আজকের পত্রিকা’র জন্য ফরহাদ মজহারের এই সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন কবি সিফাত বিনতে ওয়াহিদ। তরুণ কবি সিফাত বিনতে ওয়াহিদের দুটো কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে:  'নিঃসঙ্গতায় আরো কিছু দেখা হোক' (২০১৯), এবং 'ঘরের ভেতরে ঘর নাই' (২০১৮)। সাক্ষাৎকারটি ছাপা হয় ২০১৯ সালের ঈদ সংখ্যায়। এখানে দুই একটি জায়গায় অর্থ স্পষ্ট করবার জন্য বাক্য ঠিক করা ছাড়া আজকের কাগজ ঈদ সংখ্যায় যেভাবে ছাপা হয়েছে সেভাবেই তুলে দেওয়া হোল। যারা নেটে সাক্ষাৎকারটি সহজলভ্য চাইছিলেন তারা এখন সহজে পড়তে পারবেন আশা করি। সাক্ষাৎকারটি ছাপার সময়, ফরহাদ মজহার সম্পর্কে ‘আজকের পত্রিকা’ লাইন কয়েকের পরিচিতিমূলক ভূমিকা পেশ করে। নীচে তা উল্লেখ করা হোল: “কবি
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

মার্কস: এখনকার পড়া এখনকার কাজ


৪. মার্কসের 'পুঁজি': 'পণ্য' দিয়ে শুরু কেন?

৯ নভেম্বর, ২০১৯, চিন্তা পাঠচক্রের পঞ্চম বৈঠকে আমরা বসেছিলাম। দুই সপ্তাহের বিরতির পর আবার বসা। কার্ল মার্কসের ‘পুঁজি’ গ্রন্থ ধারাবাহিক পাঠ হিসেবে মার্কসের মুদ্রাতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রধান আলোচক জনাব ফরহাদ মজহার। পাঠের শুরুতে নতুন সদস্যদের জন্যে পূর্ব-পাঠের একটা সংক্ষিপ্তসার তুলে ধরা হয়। এরপর থেকে যারা যোগ দেবেন তাদের অবশ্যই পাঠচক্রের নোটগুলো পাঠ করে আসতে হবে। প্রয়োজনে দুই একটি প্রসঙ্গ বারবার ফিরে আসতে পারে। কিন্তু দ্রুত এগিয়ে যাবার জন্য পাঠচক্রে যারা আন্তরিক ভাবে আগ্রহী তাঁদের নিজের চেষ্টা থাকতে হবে। ‘মুদ্রাতত্ত্ব’ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় মার্কসের খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটি মন্তব্য দিয়ে। এই মন্তব্য তিন (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

মানুষ ও পিঁপড়া


মানুষ ও পিঁপড়া: প্রসঙ্গ পরিচয়

সরল জিজ্ঞাসা, গভীর বিষয় পিঁপড়া সমাজবদ্ধ জীব। সামাজিক প্রাণী। পিঁপড়া বা পিপীলিকা ফর্মিসিডি (Formicidae) গোত্রের অন্তর্গত সামাজিক জীব। এদের ঘনিষ্ঠ প্রজাতি বোলতা ও মৌমাছি। সকলে একই বর্গ হাইমেনপ্‌টেরার (Hymenoptera) অন্তর্গত। পিঁপড়া, বোলতা বা মৌমাছি সবসময় দলে থাকে। দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা বা ওড়াওড়ি করে। তাদের মধ্যে কাজের সম্বন্ধ ও সহযোগিতাও আছে; নিজেরা পতঙ্গ না হলেও পিঁপড়াদের বোলতা ও মৌমাছির মতো পিঁপড়ার দললীয় জীবন যাপনের বৈশিষ্ট্য আমরা বুঝতে পারি। দলে থেকে খাদ্য সংগ্রহের জন্য কাজ না করলে এবং নিজেদের প্রজাতি উৎপাদনে তৎপর না থাকলে তারা প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারত না। দলে থাকা এবং কাজের
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

অক্টোবর বিপ্লব: ফিরে দেখা


রুশ বিপ্লবের একশ বছর

রুশ বিপ্লবের একশ বছর পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বামপন্থিরা বিপ্লবের শতবর্ষ পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এই উদ্যোগ অবশ্যই দরকারি, তবে তখনই অর্থপূর্ণ হবে যদি রুশ বিপ্লব নিয়ে ‘উচ্ছ্বসিত’ না হয়ে একে বাস্তব ইতিহাস এবং বৈপ্লবিক রাজনীতি পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহন করা হয়। বাংলাদেশে বাস্তব পরিস্থিতি রাজনীতি নিয়ে নতুন ভাবে ভাববার দায় তৈরি করেছে। এই দায় আমাদের এড়িয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। উদযাপনের জন্য সময়টা খুবই উপযোগী। ইউরোপে ১৯৯০ সালে বার্লিনের দেয়াল ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে; সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয় ১৯৯১ সালে; সমাজতন্ত্র ও পুঁজিতন্ত্র নামক দুই শিবিরে বিভক্ত দুনিয়া এবং উভয়ের মধ্যে চলতে থাকা ‘স্নায়ু যুদ্ধ’ নব্বইয়ে শেষ হয়, (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--

আন্দোলন ও সংগ্রাম


নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাক্রম

নিরাপদ সড়কের দাবি কেন্দ্র করে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থিদের আন্দোলন সারা পৃথিবীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এদের অধিকাংশই ছিল শিশু-কিশোর বয়েসি। কিন্তু আন্দোলনের মাত্রা বিস্তার ও শৃঙ্খলা সকলেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শিশু-কিশোর আন্দোলন আন্তর্জাতিক আগ্রহ ও বিস্ময় তৈরি করে। সরকার ও রাষ্ট্র এই আন্দোলনের মুখে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখমুখি হয় যা এর আগে কোন সরকারকে মোকাবিলা করতে হয় নি। যথারীতি এই আন্দোলন দমন করবার জন্য সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নেয়। বাসের নীচে চাপা পড়ে শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুজন শিক্ষার্থির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে স্কুলেজের ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ সড়কের দাবি গড়ে ওঠে। এবং তৎক্ষণাৎ তা বিক্ষুব্ধ আন্দোলনে
(আরো পড়ুন)



--(অন্যান্য লেখা)--

ভাসানী


ভাসানী ও নতুন বৈপ্লবিক চিন্তার পুনর্গঠন

ভাসানী নিয়ে আমার পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে তরুণ সমাজের পক্ষে হাফিজ আল- মুতাসিম আমাকে কয়েকটি প্রশ্ন করেছেন। ১. বাংলাদেশে প্রচলিত ইসলামপন্হার রাজনীতির সাথে ভাসানীর পার্থক্য ও গুরুত্ব কোথায়? ২. মুজিব জিয়া পরিবারতন্ত্রের দাগের বাহিরে ভাসানী আদর্শের জাগরণ ও সম্ভাবনা কতটুকু? ৩. আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠাতা ও কাগমীর সম্মেলনে 'আসসালামু আলাইকুম', বলনে ওয়ালা জননেতা ভাসানীর রাজনৈতিক অন্তিমকাল কেমন ছিলো ও কেন? বলা বাহুল্য, তরুণদের প্রতি আমি দায় বোধ করি। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বড় বিষয়, কিন্তু সংক্ষেপে দুই একটি কথা বলবো। ভাসানীর যে কোন জীবনী গ্রন্থে তৃতীয় প্রশ্নের কিছুটা হলেও উত্তর পাওয়া যাবে। তাই বাদ রাখছি। ভাসানী-আদর্শের (আরো পড়ুন)


--(অন্যান্য লেখা)--